করোনা ঝুঁকি নিয়েই টেপামধুপুর বাজারে,সেবা দিচ্ছে পল্লী চিকিৎসক গোলাম সোরয়ার | আমাদেরবাংলাদেশ.কম
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের সময় মহেশপুর  বিজিবির হাতে ৩১ জন আটক করোনা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায়: ঢাকার সঙ্গে সাত জেলার যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা চার কুল,আয়াতুল কুরসিসহ বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ হারিয়ে যাচ্ছে রুপলাল হাউজ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নবনিযুক্ত বিমান বাহিনী প্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরলেন শেখ আব্দুল হান্নান বিমানবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব নিলেন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মুখে সর্বদা মিথ্যাচার মানায় না: কাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন খালেদা জিয়া ১০ লাখ টিকা দিচ্ছে বাংলাদেশকে কোভ্যাক্স: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনা ঝুঁকি নিয়েই টেপামধুপুর বাজারে,সেবা দিচ্ছে পল্লী চিকিৎসক গোলাম সোরয়ার

  • সর্বশেষ আপডেট বুধবার, ৫ মে, ২০২১

আমিনুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি।। করোনা ভাইরাস আতঙ্কের কারণে সারা দেশে হাসপাতাল, প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক যেখানে সাধারণ রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছে। সেখানে রংপুর,কাউনিয়া, টেপামধুপুর বাজারের পল্লী চিকিৎসক গোলাম সোরয়ার, ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত গ্রামের সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।

করোনা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (পিপিই) ছাড়াই তারা রোগীদের সেবা দিয়ে আসছেন। এতে করে চিকিৎসক, রোগীসহ সাধারণ মানুষ করোনা আতঙ্কে রয়েছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিন উপজেলার রংপুর,কাউনিয়া,টেপামধুপুর বাজার, গোলাম সোরয়ার, সহ বিভিন্ন পল্লী চিকিৎসকদের চেম্বারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি চিকিৎসকের চেম্বারে ৮-১০ জন রোগী রয়েছেন চিকিৎসাসেবা নেয়ার জন্য। তারা সরাসরি চেম্বার কক্ষেই ভিড় করে বসে আছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে একে অন্যের সঙ্গে মিশে বসে রয়েছেন এবং তাদের কারো মুখে নেই মাস্ক।

শতকরা ৯০ ভাগ রোগীই জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশিসহ করোনা লক্ষণ রয়েছে। চিকিৎসাকর্মীরা তাদের নিরাপদ দূরত্বে থেকে সেবা নেয়ার অনুরোধ জানালেও তারা কেউ তা মানছেন না।

করোনা আতঙ্কে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে বেশিরভাগ রোগীই চিকিৎসা নিতে ভিড় করছেন পল্লী চিকিৎসকের দ্বারে। সারা দেশ কার্যত লকডাউনে থাকায় রংপুর সহ বিভিন্ন শহরের লোকজন এখন গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ কারণে পল্লী চিকিৎসকদের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

এ দিকে করোনা আতঙ্কে রংপুর,কাউনিয়া,টেপামধু পুর বাজার, সহ উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ডাক্তারদের ব্যক্তি সুরক্ষা থাকার পরও জ্বর, সর্দি, হাঁচি, কাশি, গলা ব্যথা, ঠাণ্ডাজনিত রোগীদের সরাসরি হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে সেবা নেয়া বন্ধ করেছে। সে ক্ষেত্রে রোগী বাড়িতে বসে সেবা নেয়ার জন্য নিজের নম্বর (০১৭৬২৮১১১০৫) চালু করে  রেখেছে । এ সব রোগীর ফোন করে সেবা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

অথচ পল্লী চিকিৎসকগণ প্রতিনিয়ত করোনাকে মোকাবেলা করে ব্যক্তি সুরক্ষা পিপিই, গ্লাভস, মাস্ক এবং অন্য কোনো সাপোর্ট ছাড়াই তারা প্রতিনিয়ত রোগীদের সেবা দিয়ে চলছেন নিরলসভাবে।

সেবা নিতে আসা টেপামধুপুর গ্রামে বাসিন্দা কাবিবুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলের কয়েকদিন ধরে জ্বর হয়েছে। হাসপাতালে নেয়া যাবে না তাই বাধ্য হয়ে পল্লী চিকিৎসককে দেখালাম। আমরা এখন আতঙ্কে মধ্যে রয়েছি। আমার ছেলের প্রচুর জ্বর ছিল পল্লী চিকিৎসক দেখে মেডিসিন দেয়ার পর এখন শরীর ভালো। সরকারি ডাক্তারের মতো যদি আমার ছেলেকে না দেখত তাহলে যে কী উপায় হতো।

পল্লী চিকিৎসক গোলাম সোরয়ার আমাদেরবাংলাদেশ. কমের প্রতিবেদক-কে বলেন, প্রতিদিন আমি ৮০-১০০ জন রোগীর সেবা দিয়ে থাকি। এখন হাসপাতাল গুলোতে রোগী না যাওয়ার ফলে আরও চাপ বেশি আমাদের কাছে। সর্তকতার সঙ্গে ব্যক্তি সুরক্ষা ছাড়াই করোনা ঝুঁকি নিয়েই আমরা রোগীদের সেবা দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের দাবি করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সুরক্ষায় সরকারি ডাক্তারের মতো আমাদেরও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (পিপিই) দেয়া হোক।

আমাদেরবাংলাদেশ.কম/শিরিন আলম

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved ©আমাদের বাংলাদেশ ডট কম
Developed By amaderbangladesh.com