আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। আজ ৯ ডিসেম্বর। বেগম রোকেয়া দিবস। নারী জাগরণের অগ্রদূত মহিয়সী বেগম রোকেয়ার ১৩৯ তম জন্ম ও ৮৭তম মৃত্যুদিবস।
দিবসটি উপলক্ষে বানী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করেছে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন।
বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান পায়রাবন্দে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোকেয়া হল, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।
এবার পাচঁজন বিশিষ্ট নারী ব্যক্তিত্বকে বেগম রোকেয়া পদক ২০১৯ প্রদান করা হয়েছে।
তারা হলেন- বেগম সেলিনা খালেক, অধ্যক্ষ শামসুন্নাহার, ড. নুরুননাহার ফয়জননেসা (মরণোত্তর), পাপড়ি বসু ও বেগম আখতার জাহান। পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নারী ব্যক্তিত্ব বা তার পরিবারের প্রতিনিধিরা আজ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস ২০১৯ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এ দিনটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে তার জন্মস্থান পায়রাবন্দে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোকেয়া হল, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে।
রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থায় নারীর সমান অধিকারের জন্য বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আমৃত্যু লড়াই করেন। মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী ইত্যাদি কালজয়ী গ্রন্থে ক্ষুরধার লেখনির মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও নারীর বন্দিদশার স্বরূপ উন্মোচন করেন। এ ছাড়া বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও পণপ্রথাসহ নারীর প্রতি অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে তিনি সচেষ্ট ছিলেন।
এদিকে, তাঁর নামে স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় করা হলেও রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রটি আজও পুর্নাঙ্গভাবে চালু না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছে রংপুরবাসী।