pinuppin uppin up casinopinup azpinappinup casinopin-uppin up onlinepin up azpinuppin uppin up casinopinappin up azpin up azerbaycanpin-uppinuppin uppin up casinopinup azpinup azerbaycanpin up azerbaycanpin up azerbaijanpin up azpin-uppin up casinopin up casino gamepinup loginpin up casino indiapinup casinopin up loginpinup indiapin up indiapin up bettingpinup loginpin up casino indiapinup indiapin uppinuppin-uppin up 777pin up indiapin up betpin uppin up casinopinup loginpin-up casinopin-uppinup indiapin up kzpinup kzpin-up kzpinuppin up casinopin uppin up kzпинапpin-uppin uppinuppin-upmostbetmosbetmosbet casinomostbet azmosbetmostbetmostbet casinomostbet azmostbet az casinomosbet casinomostbet casinomostbetmostbet aviatormostbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet aviatormostbet casinomostbetmastbetmostbet onlinemosbetmosbetmostbetmosbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet casino kzmostbet kzmostbetmostbet casinomostbet onlineмостбетmosbetmosbet casinomostbetmostbet kz1 win aviatoraviator 1 winaviator mostbetaviator1 win casino1win kz casino1 win bet1win kz1win casino1 winonewin casino1 winonewin app1 win game1 win aviator game1win1 win1win uz1win casino1 win online1 win1win casino1win aviator1 win1win casino1win1win aviator1 win1win casino1win online1 win az1win lucky jet1win1 win1 win az1win1win casino1win1 win1 win casino1win slot1win apostas1win slots1win apostalucky jetlucky jet casinolucky jetlucky jet crashlucky jet crashlucky jet casinomostbet lucky jetluckyjetlukyjetlucky jetlucky jet crashlucky jetlucky jet casino4rabet pakistan4rabet4era bet4rabet bd4rabet bangladesh4rabet4rabet game4r bet4rabet casino4rabet4r bet4rabet bd4rabet slots4a bet4era bet4x bet4rabet indiaparimatchmosbet casinomosbet kzmostbetmostbet kzmostbet aviatormosbet aviatormosbetmostbet aviatormostbetmosbetmostbetmosbetmosbet indiamostbetmosbetmostbet india1win cassino1 win casino1 win
শিরোনাম:
উনি দুই বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছে। টানা ৮ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে

উনি দুই বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছে। টানা ৮ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে

রিপন হোসেন সাজু মনিরামপুর যশোর প্রতিনিধি।। মণিরামপুর উপজেলার অত্যন্ত অবহেলিত এবং দূর্গম একটি ইউনিয়নের নাম দূর্বাডাঙ্গা। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার পথ। মণিরামপুরে রাস্তাঘাটের বৈপ্লবিক পরিবর্তনে এখন ১৫/২০ মিনিটের পথ হলেও সেদিন ছিল প্রায় ঘন্টা খানেকের পথ। বলছিলাম ৫০ বছরেরও আগের কথা। উপজেলা সদরের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা একমাত্র ইট আর পাথরের খোয়ায় তৈরী যশোর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে এ ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে যাওয়ার সবগুলো রাস্তাই তখন কাঁচা। মোটা মাটির এলাকা হওয়ায় বৃষ্টির দিনে আটার মতো কাঁদা, আবার শুকনোর সময় ভিষণ অসম রাস্তা গুলো।

এক সময়ে সর্বহারা ও আন্ডার ওয়ার্ল্ড অধ্যুষিত এ ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে ৫০’র দশকে ব্যপক হারে চুরি-ডাকাতি বৃদ্ধি পায়। এলাকাবাসি তাদের জানমাল রক্ষা করতে প্রায় ব্যর্থ। ঠিক তখনই সবে মেট্রিকুলেশন পাশ করে এলাকায় এসে এসবের প্রতিবাদ শুরু করেন ১৬ বছরের এক বাহাদুর যুবক। ইউনিয়নটির বর্তমান চেয়ারম্যান তিনি। ১৯৭৩ সালে ইউনিয়ন রিলিফ কমিটি বাতিল ও ইউনিয়ন পরিষদ আইন পাশ এবং চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির পর থেকে ৮ বার নির্বাচিত হয়ে ৪০ বছর যাবত এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা সরদার বাহাদুর আলী।

এবারো বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সত্যিই তিনি একজন বাহাদুর। ১৯৪২ সালের ৩০ জুন উপজেলার দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম দত্তকোনার এক কৃষক পরিবারের জম্মগ্রহন করেন সরদার বাহাদুর আলী। বাবা সরদার আছির উদ্দিন ও মাতা মকরজান বেগমের একমাত্র ছেলে সরদার বাহাদুর আলী। আর্থিক দৈন্যতার কারনে ছাত্রজীবনে তাকে হোঁছট খেতে হয়েছে বহুবার। নেহালপুর প্রাইমারী স্কুল থেকে পঞ্চম শ্রেনী পাশ করে ভর্তি হন গোপালপুর হাই মাদরাসায়। সেখানে এক মামার বাড়িতে থেকে ৮ম শ্রেনী পাশ করেন। এরপর ভর্তি হন ঢাকুরিয়া হাই স্কুলে।

সেখানেও অন্যের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৮ সালে তৎকালিন ইষ্ট পাকিস্থান সেন্ট্রাল বোর্ডের অধীনে মেট্রিকুলেশ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বে সাথে পাশ করেন এই মেধাবী ছাত্র। এবার উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের পালা। কিন্তু সরদার বাহাদুর আলীর কাছে সেটা তখন শুধুই স্বপ্ন। আর্থিক অস্বচ্ছলতা ঘুচাঁতে সে বছরেই যোগদেন শিক্ষকতায়। মাত্র সাড়ে ৩৬ টাকা বেতনে সাতগাতী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন তিনি। বাবার সংসারে খেয়ে প্রায় ২ বছর সেখানে শিক্ষকতা করার পর, কিছু অর্থ জমিয়ে আবারো পা বাড়ান শিক্ষা জীবনে। চাকরী ছেড়ে ভর্তি হন যশোরের ঐতিহ্যবাহী মাইকেল মধুসুদন কলেজে।

যা এমএম কলেজ নামে পরিচিত। অর্থনীতি ও ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে পড়াশোনাকালীন সময় জড়িয়ে পড়েন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে। সম্প্রতি মণিরামপুরের দত্তকোনা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে একান্ত সাক্ষাতকারে জানালো এসব কথা। কিভাবে এবং কেনই বা রাজনীতিতে আসলেন ? জানতে চাইলে শুনালেন তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা। সঠিক দিনক্ষণ না বলতে পারলেও জানালেন, ১৯৬১ সালের কোন এক সময় যশোর ঈদগাহ ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এক জনসভায় আসার কথা।

মন দিয়ে শুনলেন বাঙ্গালী জাতিকে স্বত্তামুক্ত করার ভাষন। সেই ভাষনেই মেধাবী ছাত্র বাহাদুরের মাঝে সৃষ্টি হয় রাজনীতিক চেতনা বোধ। শুরু করেন ছাত্রলীগের রাজনীতি। এমএম কলেজ ছাত্রলীগের তুখোড় এই ছাত্রনেতা ১৯৬২ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের পর গ্রামে ফিরে আসেন। মাধ্যমিকে ভাল ফলাফলের দৃঢ়তা নিয়ে ফল প্রকাশের আগেই শুরু করেন কর্মস্থানের চেষ্টা। সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদেন ঝাঁপা হাই স্কুলে। মাত্র ২ মাস শিক্ষকতা করার পর নিজ গ্রাম দত্তকোনাসহ অবহেলিত দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রয়াসে ফিরে আসেন বাড়িতে।

এলাকার কয়েক জন মুরুব্বীদের সাথে আলোচনা করে ডাক দেন আশেপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ। এলাকাবাসির সহায়তায় প্রতিষ্ঠা করেন শ্যামনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশে পর ১ জুলাই সেখানেই সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন সরদার বাহাদুর আলী। ১৯৯৮ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে ওই বিদ্যালয়েই সর্বমোট ৪০ বছর শিক্ষকতা জীবন শেষ করে ২০০২ সালের ৩০ জুন অবসর গ্রহন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবাদী যুবক হিসেবে পরিচিত পান তিনি। এলাকায় ব্যপকহারে বৃদ্ধি পাওয়া চুরি-ডাকাতি ঠেকাতে বলিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহন করেন যুবক বাহাদুর। এলাকার কয়েক জন যুবককে সাথে নিয়ে শুরু করেন প্রতিবাদ।

গ্রামে চুরি হলেই ধরে নিয়ে আসেন চিহ্নিত চোরদের। বাধ্য করেন চুরি যাওয়া মালামাল ফেরত দিতে। ব্যপক সমর্থন পেয়ে তারই নেতৃত্বে চুরি প্রতিরোধে আশেপাশের গ্রামে গুলোতেও গঠন করেন চুরি প্রতিরোধ কমিটি। অল্প সময়েই বন্ধ করেন চুরির প্রবনতা। পাশাপাশি নিজের ভিতর লালন করা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বিকশিত করতে চালিয়ে যান সাংগঠনিক কার্যক্রম। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালে সরকার রিলিফ কমিটি বাতিল করে ইউনিয়ন পরিষদ আইন প্রণয়ন করলে এলাকাবাসির চাপে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন।

বাবা সরদার আছির উদ্দিন একমাত্র ছেলেকে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে প্রথমে অসম্মতি জানালেও পরে এলাকাবাসির অনুরোধে সম্মত হন। বাবা-মা’র দোয়া নিয়েই শুরু করেন নির্বাচন। জীবনের প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি। ৩ বারের নির্বাচনে টানা ১৫ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে মাত্র ৬৯ ভোটে পরাজিত হন। তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলে ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ কমিয়ে ৪ বছর করায় ৯১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আবারো জয়লাভ করে টানা ২৫ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে এমএম কলেজের ছাত্র রাজনীতি থেকে এলাকায় শুরু করেন নানা সাংগঠনিক তৎপরতা। ১৯৬৫ সালে মণিরামপুরে রাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর এক জনসভা সফল করতে ব্যপক ভূমিকা রাখেন তিনি। সেদিনই প্রথম বঙ্গবন্ধুর সহচার্য্য পান। অবশ্য পরে কয়েকবার দেখা করার সৌভাগ্য হয়। ১৯৬৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীদের দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন কমিটির সাধারন সম্পাদক এবং থানা কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত: ২০১৮-২০২৩ © আমাদেরবাংলাদেশ.ডটকম