মণিরামপুর( যশোর)প্রতিনিধি।। বৈধ কাগজপত্র এবং ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রপাতিসহ স্বাস্থ্য সেবার পরিবেশে না থাকার দায়ে মণিরামপুরের ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগণস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ১ ক্লিনিক মালিককে ৩ মাসের জেল এবং
দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ জাকির হাসানের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচানা করা হয়। স্বাস্থ বিভাগের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় যশোরের সিভিল সার্জন ডাঃ
শেখ আবু শাহিন ও মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শুভ্রারানী দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শুভ্রারানী দেবনাথ জানান, বন্ধ হওয়া মোহনপুর বটতলায় অবস্থিত প্রগতি ডিজিটাল ডি-ল্যাব এন্ড রিজু ইসপিটাল সিভিল সার্জনের অনুমতি বিহীন অবৈধভাবে পুনরায় পরিচালনা করা ও মানসম্মত না থাকার দায়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কিন্তু অনাদায়ি হওয়ায় ক্লিনিক মালিক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে ৩ মাসের জেল দেয়া হয়।
মণিরামপুর হাসপাতালের সামনে জিনিয়া প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরী ও ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্যাথলজি ল্যাব লাইসেন্স নবায়ন ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা না হওয়ায় মালিক মনিরুজ্জামান জনি ও জাকির হোসেনকে পঞ্চশ হাজার টাকা করে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের সামনে ল্যাব সাদের ল্যাব ক্রটি থাকার দায়ে ল্যাব বন্ধ করাসহ মানসম্মত করা জন্য এক মাসের ও মুন হসপিটাল লাইসেন্স নবায়ন না থাকার দায়ে একদিন সময় দিয়ে বন্ধ ঘোষনা করা হয়।
মোহনপুর বটতলায় নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা করার জন্য সাত দিনের সময় দেয়া হয়েছে। জিনিয়া ও ডক্টরসের লাইসেন্স নবায়ন ও ল্যাব সাদের সেবার ক্রটিপূর্ন ব্যর্থ হলে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে বলে ভ্রাম্যমান আদালত সতর্ক করেন। অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার অনুপ কুমার বসু, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান,এসআই শাহিনুর রহমান প্রমূখ।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/সিয়াম