আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক: দেখতে দেখতে জীবন থেকে চলে গেলো আমার প্রিয়তমার আর একটি বছর ৪ঠা অক্টোবর ছিলো আমার জীবন সঙ্গিনী পপির বার্থডে,বিষয়টি একদম ভুলেই গিয়েছিলাম আমি হঠাৎ আমার ছেলে দেখি চুপি চুপি বলছে-বাবা,আজ আম্মুর বার্থডে,আমি চিন্তায় পড়লাম-কী করা যায় ? ডিউটি আছে।
বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে । স্ত্রীকে বললাম-পপি,আজ কি তোমার বার্থডে ? তিনি অভিযোগের সুরে বললেন,তোমার কি এসব মনে থাকে । আমি বললাম,মনে-ই ছিলো না । হ্যাপি বার্থডে টু ইউ! আমার ঘড়িতে আজ তিন তারিখ উঠে আছে । কি আর করা যায়। জুম্মার নামাজ শেষে ডিউটির জন্য বেড়িয়ে পড়লাম । রাতে ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার পথে বাসার কাছাকাছি
এসে মনে হলো তাকে একটি সারপ্রাইজ দিতে হবে,তা না হলে কয়েক দিন ভালো কাটবে না জানতাম পুলিশের মোটর বাইক আর বউ ঠিক না থাকলে জীবন দুর্বিষহ । তাই অাবার বাইক নিয়ে ফিরে গেলাম শহরে ফুলের দোকানে । ছোট একটি ফুলের তোরা কিনে বাসায় এসে দরজায় দাঁড়িয়ে কলিং বেল চাপতেই ,লক্ষী বউ আমার দরজা খুলে ।
আমাকে দেখেই সে তো অতভাগ কারণ তার সামনে হঠাৎ আমি আবার ফুলের তোড়া,তোড়াটি নিয়ে এগিয়ে বললাম, হ্যাপি বার্থডে টু ইউ ! ফুলের তোরা হাতে নিয়ে পপি হাসতে হাসতে…। এখানেই শেষ নয় । তার সাথে দাঁড়ানো ছিলো নিলম ভাবী । তার মুঠোফোনের ক্যামেরায় বন্দী হলাম । ক্লিক ক্লিক করে ছবি উঠালেন । তবে এখানেই শেষ নয়,গল্প আরো আছে ।
আমার কলিগরা (টি আই জনাব হাসান,জনাব মামুন ও রবিউল) কিছুক্ষণ পরে ভাবীদের সাথে নিয়ে হাজির হলেন আমার বাসায় বড় একটা কেক নিয়ে। তাদের এসব পরিকল্পনা সত্যিই আমরা দুজনে কিছুই জানতাম না । ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমার প্রিয় বন্ধুদেরকে যাদের ভালো বাসার কাছে ঋণী আমি
অবশেষে কেক কেটে পালন করা হলো এক পুলিশের বউয়ের বার্থডে।এভাবেই কাটে আমাদের বিশেষ দিনগুলি দোয়া করবেন আমাদের জন্য।