নিজস্ব প্রতিবেদক।। সাভারে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে বিষক্রিয়ায় একি পরিবারের দুলাভাই ও শ্যালকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ দুটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। দায়ের হয়েছে অপমৃত্যুর মামলা।
রোববার (২২আগষ্ট) সন্ধ্যার সময় মরদেহ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাদের মৃত ঘোষান করেন চিকিৎসক। নিহতরা হলেন ভাকুর্তা ইউনিয়নের চাইড়া গ্রামের মো. সোহেল রানা (৪২) ও তার শ্যালক মো. সোহেল চৌধুরী (৪০)।
পুলিশ জানায়,সোহেল রানার বাড়িতে পাশাপাশি দুটি সেপটিক ট্যাংকির মধ্যে একটি পরিত্যক্ত ছিলো। আজ দুপুরে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকটি পরিষ্কারের জন্য নামেন সোহেল। এসময় হঠাৎ করে সে অসুস্থ হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লে শ্যালক সোহেল চৌধুলী রশি দিয়ে বেঁধে তাকে উপরে তোলার চেষ্টা করেন। এসময় শ্যালকও দশ ফুট গভীর ওই সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যান।
তাদের উদ্ধারের আরেকজন মই নিয়ে সেখানে নামতে গেলে সেও অসুস্থ্যবোধ করায় দ্রুত উপরে উঠে ৯৯৯ এ কল দেন।
পরে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের অক্সিজেন সরবরাহ করেন। বিকেলে তাদের উদ্ধার করে সাভার সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভার্কুতা ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) শাহ্ আলম বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে ওই সেপটিক ট্যাংকে গ্যাস জমে ছিলো। এই কারণে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে আমরা পেয়েছি। অক্সিজেনের অভাবে ও ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এঘটনায় সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলাও দায়ের হয়েছে।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/রাজু