চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি।। কে সিনিয়র কে জুনিয়র এমন বিষয় নিয়ে তর্কে জড়িয়ে চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজারে সংঘর্ষে ২জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতদের চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আশরাফুল ইসলাম রুবেল বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর করোনা পরবর্তী সময় চেয়ারম্যান বাজার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজ খোলায় ছাত্র ছাত্রীরা ক্যাম্পাসে আনন্দ র্যালী বের করে, এসময় আমি সহ কয়েকজন সিনিয়র ছাত্র র্যালির কাছে দাড়িয়ে থাকা কলেজে অধ্যয়নরত জুনিয়র ছাত্র ইমন, সৌরভ, ও রাফিকে র্যালিতে অংশ নিতে বলি। কিন্তু ইমন, সৌরভ ও রাফি অংশ না নেওয়ায় আমার বন্ধু আবদুর রহিম ও আলামিন, তাঁদেরকে সিনিয়রদের নির্দেশ মানার পরামর্শ দেন।
এর সূত্র ধরে গতকাল রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান বাজারে স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী জাকির ও তাঁর ভাই সেলিম পাটওয়ারী, ভাতিজা ইমন,সৌরভ, রাফি, জাহিদ সহ অন্তত ১০/১৫ জন একত্রিত হয়ে আমার বন্ধু আবদুর রহিম ও আলামিন কে ঘিরে ধরে মারধর করে।
খবর পেয়ে আমি সেখানে গিয়ে সবাইকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলে হঠাৎ ইউপি সদস্য জাকিরের নেতৃত্বে তাঁর ভাই ভাতিজা ও এলাকার চিহ্নিত সসন্ত্রাসী বাহিনী আমার উপর পরিকল্পিতভাবে দেশিও ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা এবং লোহার রড,এসএস পাইপ,জিআই তার দিয়ে হামলা করে এলোপাথাড়ি মারধর করে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এসময় কলেজের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী ও ইউপি সদস্য জাকির আমার গলা চিপে হত্যার চেষ্টা করে।
এমন সময় স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকার লোকজন ধাওয়া করলে সন্ত্রাসী বাহিনী পালিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে আমার স্বজনরা এসে আমাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।
একই হাসপাতালে ভর্তি আরেক আহত রবিউল আলম মুন্না বলেন, আমি আহত বন্ধু রুবেলকে হাসপাতালে দেখে বাড়ি ফেরার পথে হাজারীগঞ্জ ৬ নং ওয়ার্ডে ওতপেতে থাকা রায়হান, ইসমাঈল ও শাকিল ধারালো অস্ত্র দা’সেনি দিয়ে আমাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ৪র্থ শ্রেণির ককর্মচারী জাকির মেম্বারের মোবাইলে যোগাযোগ করলে তাঁর মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
শশীভূষণ থানার অফিসার ইন চার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক জাড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।