রাজশাহী প্রতিনিধি।। রাজশাহী মহানগরীতে নামীদামী দেশি বিদেশী ব্যান্ডের নকল প্রসাধণী, কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশসহ ২ ব্যক্তিকে আটক করেছে আরএমপি’র পবা থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হলো মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৮)। সে রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর থানার কালুপাড়া দক্ষিন পাড়ার মৃত গাজীউর রহমানের ছেলে এবং তার ভগ্নিপতি মোঃ মেজবাহ উদ্দিন (৪০)। সে রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার দিঘীর পারিলা গ্রামের মৃত আঃ সফি তালুকদারের ছেলে ।
এ সংক্রান্তে ১০ নভেম্বর বুধবার সকাল ১১ টার সময় আরএমপি সদরদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম ক্রাইম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (শাহমখদুম) নূরে আলম এর নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার সুকুমার মোহন্ত ও পবা থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুম মনির ও পবা থানার একটি বিশেষ দল গত ৯ নভেম্বর পবা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পবা উপজেলার দিঘীর পারিলা গ্রামের দুই জন নকল প্রসাধণী প্রস্তুতকারী তাদের বাড়ীতে বিভিন্ন প্রকার কাঁচামাল, রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে দেশী-বিদেশী কোম্পানীর মোড়ক যুক্ত ভেজাল ও নকল প্রসাধণী তৈরী করে রাজশাহী মহানগর এবং মহানগরীর বাহিরে বিভিন্ন বিউটি পার্লার, জেন্টস পার্লার, সেলুন ও কসমেটিক্স এর দোকানে সরবরাহ করে আসছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে পবা থানার ঐ টিম দুপুর ২.৩০ মিনিটের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযান চালিয়ে আসামী মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মোঃ মেজবাহ উদ্দিনকে আটক করে। এসময় আসামীদের হেফাজত থেকে প্রায় সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা মূল্যের বিভিন্ন দেশী-বিদেশী কোম্পানীর মোড়ক যুক্ত নকল প্রসাধণী, নকল প্রসাধণী তৈরীর বিভিন্ন কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি উদ্ধার হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেফতারকৃত আসামীরা জানায়, তারা কোন বিশেষজ্ঞ ও টেকনেশিয়ানদের সু-নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ছাড়াই সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেখে মানহীন ভেজাল ও নকল প্রসাধণী তৈরী করে এবং সহযোগী আসামীদের দ্বারা বাজারজাত ও বিক্রয় করে থাকে। এই সকল নকল প্রসাধণী ব্যবহারের ফলে ব্যবহার কারীদের দীর্ঘ মেয়াদী বিভিন্ন প্রকার চর্ম রোগ,এমনকি স্কিন ক্যান্সারও হতে পারে বলে জানা যায়। গ্রেফতার কৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/শিরিন আলম