মঙ্গলবার (২১এপ্রিল) সকাল থেকেই সোন্দাহ কমিউনিটি ক্লিনিকে এলাকার অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। চৈত্র-বৈশাখের রোদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া উপেক্ষা করে মায়েরা তাদের সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্যসহকারে টিকা গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে টিকাদান নিয়ে এই সচেতনতা ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
নন্দলালপুর এলাকার এই গুরুত্বপূর্ণ টিকাদান কার্যক্রমটি পরিচালনা করছেন কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মো: তারিকুল ইসলাম। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শিশুদের টিকা প্রদান করছেন এবং একইসাথে টিকাদানের পর শিশুদের যত্ন ও সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।
সরেজমিনে ক্লিনিক প্রাঙ্গণে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ইনজেকশনের ভয়ে শিশুদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক থাকলেও স্বাস্থ্য কর্মীদের আন্তরিকতা ও সাজসজ্জায় পুরো ক্লিনিক এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।”শিশুদের হাম ও রুবেলার মতো ভয়াবহ রোগ থেকে রক্ষা করতে এই টিকার কোনো বিকল্প নেই। আমরা প্রতিটি ৯ মাস (পূর্বের তথ্যে ৬ মাস উল্লিখিত ছিল,তবে প্রচলিত নিয়মে ৯ মাস) থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুকে এই সুরক্ষার আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। এলাকাবাসীর এই ব্যাপক অংশগ্রহণ আমাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে উৎসাহিত করছে।” মো: তারিকুল ইসলাম,স্বাস্থ্য সহকারী। উল্লেখ্য, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের এই দেশব্যাপী উদ্যোগটি কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের ভবিষ্যৎ রোগমুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এবিডি.কম/রাজু