সরেজমিনে জানা যায়,প্রতিদিনের রুটিন মেনে তিনি এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন। কে খেয়ে আছেন,আর কে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন-তার পুঙ্খানুপুঙ্খ খবর রাখছেন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁর কাছে জাত-পাত বা ধর্মের কোনো প্রাচীর নেই। যেকোনো মানুষের সংকটের কথা শুনলেই তিনি ছুটে যান। এমনকি কেউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলে,তাকে দেখতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতেও কার্পণ্য করেন না এই সমাজসেবক।
সম্প্রতি এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন রংপুর জেলা থেকে এসে আশুলিয়ার ভোদাইল এলাকায় বসবাসরত এক বাসিন্দা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন:”আমি রংপুর থেকে এসে এখানে থাকি, এখানকার ভোটারও নই। কিছুদিন আগে আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। আমার এই সংকটের কথা শুনে ইসরাফিল হোসেন ভাই নিজে আমার বাসায় ছুটে আসেন এবং খোঁজখবর নেন। তিনি জানতেন আমি এখানকার ভোটার নই, তাও তাঁর এই মানবিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই মহান মানুষটি যদি ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন,তবে আমাদের মতো বিভিন্ন জেলা থেকে এসে যারা এখানে বসবাস করছেন, তাদের আর কোনো সমস্যা থাকবে না।”
কেবল মুসলিম সম্প্রদায়ই নয়,সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব শ্রেণির মানুষের কাছেই তিনি সমান জনপ্রিয়। সম্প্রতি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, এক বৃদ্ধা হিন্দু নারী পরম স্নেহে আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেনের মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করছেন। ছবিটি ইতিমধ্যে এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে,যা প্রমাণ করে সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আজ ধর্ম-বর্ণের সীমানা পেরিয়ে গেছে। ধামসোনার স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেনের মতো একজন জনবান্ধব ও মানবিক নেতাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পাওয়া সময়ের দাবি।
এবিডি.কম/জাহাঙ্গীর আলম রাজু