মিশা পেয়েছেন ২২৭ ভোট এবং জায়েদ পেয়েছেন ২৮৪ ভোট।
সভাপতি পদে মিশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মৌসুমি পেয়েছেন ১২৫ ভোট এবং সাধারণ সম্পাদকের পদে ইলিয়াস কোবরা ৬৮ ভোট পেয়েছেন।
আজ (২৬ অক্টোবর) ভোররাত ২টায় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি জানান, নির্বাচিত এই কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।
সমিতির সহ-সভাপতি পদে ডিপজল (৩১১ ভোট) ও রুবেল (২৯৩), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আরমান (২৮১), আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে মামুনুন ইমন (২৪৭), সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাকির হোসেন (২৩০) নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদি নির্বাচনে তিন পদে বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়েছে তিনজন। তারা হলেন- সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ।
এবার ২১টি পদের বিপরীতে ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মোট ভোটার ছিলো ৪৪৯ জন।
মিশা সওদাগর আমাদেরবাংলাদেশ.কমকে বলেন, “সবার দোয়া ও ভালোবাসায় আমি জয়ী হতে পেরেছি। চলচ্চিত্রের সব শিল্পী, কলাকুশলীসহ এফডিসির সবার কাছে কৃতজ্ঞ। আমার প্রথম কাজ হবে ইশেতেহার যা যা বলেছিলাম তার বাস্তবায়ন ঘটানো। শিল্পীদের সবাইকে নিয়ে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ করে যাবো।”
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পীরা যাতে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেন আমরা সেই ব্যবস্থা করবো। শিল্পীরা কেউ হারেননি। আমরা আগামীতে যেনো বিগত বছরের কাজের গতিটা ধরে রাখতে পারি সবার কাছে এই দোয়াই চাই।”
উল্লেখ্য, গতকাল (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদে নেতা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। সকাল ৯টায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।