নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আখাউড়ার জিআরপি থানায় অপমৃত্যু মামলাটি করেন মন্দবাগ স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন। এদিকে, নিহত ১৬ জনের নিজ নিজ এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি চাঁদপুর, ৮ জনের হবিগঞ্জে এবং একজনের বাড়ি মৌলভীবাজারে। তাদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আহত ৭৭ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কেউ ফিরছিলেন একা, কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে। কেউ আবার যাচ্ছিলেন সন্তানের প্রিয় মুখটি দেখতে। কিন্তু সবই এখন কালো মেঘে ঢাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মন্দবাগ স্টেশনে দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের সংঘর্ষে নিভে যায় ১৬ জনের জীবনপ্রদীপ।
মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে মরদেহগুলো সনাক্ত ও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতেই নিজ নিজ এলাকায় তাদের দাফন করা হয়। এসব পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহতদের ৮ জনের বাড়ি হবিগঞ্জ, ৭ জনের চাঁদপুর ও একজনের বাড়ি মৌলভীবাজারে। সেখানে মরদেহ পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে পরিবেশ।
দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরলেও যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছেন না অনেকে। আহত ৭৭ জনের অনেকেই গুরুতর জখম নিয়ে পড়ে আছেন হাসপাতালের বিছানায়। তাদের মধ্যে ৭ জন ঢাকার সিএমইচএ, ৩ জন পঙ্গু হাসপাতালে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৩ জন। এরা সবাই ফিরেছেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে।
এ ঘটনায় আখাউড়া জিআরপি থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। মন্দবাগ স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন এই মামলাটি করেন। এদিকে, দুর্ঘটনার পর তুর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালকসহ তিনজনকে বরখাস্ত ও ৫টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আহত যাত্রীদের চিকিৎসা সহায়তা ও নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম