
আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।।
হলি আর্টিজান রেঁস্তোরায় হামলা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকেই আইএসের প্রতীক সম্বলিত টুপিগুলো এনেছিল। ওই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শেষে এর প্রমাণ পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনায় নিবিড় তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার তাগিদ দিলেন তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শও দিলেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
গত বুধবার হলি আর্টিজান রেঁস্তোরায় সন্ত্রাসী হামলা মামলার রায় শেষে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের দুজন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের প্রতীক সম্বলিত টুপি পরে বের হয়। এই নিয়ে উদ্বেগ ও সমালোচনার ঝড় উঠে। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। একদিনের মধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকেই আইএসের প্রতীক সম্বলিত টুপিগুলো তারা এনেছিল।
এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, রায় শেষে, আইএসের প্রতীক সম্বলিত টুপি পরার পরও, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ দেখা যায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে। আসামীদের করেননি কোন প্রশ্ন্ও। জঙ্গি বিষয়ে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সতর্কতা ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিশ্লেষকরা।
তবে শুধু জেল নয়, আসামীদের আদালতে আনা, হেফাজতে রাখাসহ গোটা ব্যবস্থাপনায় জড়িতদের সাথে কথা বলে দ্রুতই ত্র“টি সংশোধনের পরামর্শ দিলেন বিশ্লেষকরা। যারা অভিযুক্ত হবেন, তাদের আইনের আওতায় আনার তাগিদও দিলেন তারা।
এ ঘটনাকে একটি অশনি সংকেত বলে উল্লেখ করে গুরুত্বের সাথে বিবেচনার তাগিদ দিলেন বিশ্লেষকরা।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম