রাজশাহী সংবাদদাতা।।
কৃষি অদ্যুষিত রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জনসাধারনের মাঝে এখন শুধু পুকুর খননের আতঙ্ক। এরই মধ্যে বিশেষ করে জেলার গোদাগাড়ী, পবা, মোহনপুর, বাঘমারা, দূর্গাপুর ও তানোর উপজেলায় পুকুরে গিলেছে হাজার হাজার একর ফসলি জমি। হাজার হাজার বিঘা ফসলি খাল, বিল, নালা সহ পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা না রেখেই চলেছে বানিজ্যিক পুকুর খননের মহোৎসব প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এই সব উপজেলার পুরো এলাকা জুড়ে চলছে অপরিকল্পিত পুকুর খননের হিড়িক।
বর্তমানে ম্যাজেজ পার্টি এতই শক্তিশালী যে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞাও তাদের রুকতে পারছে না। সরকারি নিয়ম নিতি উপেক্ষা করে এবং প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতিসাধনা করে এই খনন কাজ জেলার,পবা ও মোহনপুর, বাঘমারা, দূর্গাপুর উপজেলায় রাত দিন ২৪ ঘন্টা চলছে পুকুর খননের হিড়িক।
কিক্তু প্রশাসন নিরব রয়েছে আর চলছে এক শ্রেনির মুনাফালোভী অসাধু চক্র ও স্থানীয় থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে ফসলি ধানী জমিকে পুকুরে রুপান্তর করছে চলছে খনন।শুধু যে ক্ষেতের ক্ষতি হচ্ছে তা নয় পুকুর খননের কাজে ব্যবহৃত এক্সেভেটর ও মাটি পরিবহনের ট্রাক্টরে গ্রামীন সংযোগেসড়ক গুলো ভেঙ্গে গর্ত গোবলাহ মরন খাদে পরিনত হচ্ছে। যে কারনে রাস্তা গুলো বছর খানেকের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে আর পাশা পাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যর প্রতি জনগনের কমছে আস্থা।
গোদাগাড়ী উপজেলা ৭ নং দেওপাড়া ইউনিয়ন এর ৪ নং ওয়ার্ড ফুলবাড়ী মৌজায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় তিন ফসলি ধানী জমি নষ্ট করে এসক্সভেটর দিয়ে পুকুর খননের কাজ চলছে। পুকুর খনন মালিকের সক্ষাতকার নিতে গেলে তিনি নিজেকে পরিচয় দেন আমি এই ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার, আমার নাম মোঃ সাদেক আলী । গোদাগাড়ী থানার ওসিসাহেবকে ম্যানেজ করে এই পুকুর খননের কাজ চালাচ্ছি বলে সিকার করেন। ঐ এলাকা বাসিরা যানায় সাদেক আলী আপনাদের মিথ্যা পরিচয় দিয়েছে সে এখন মেম্বর নয় এখন সাবেক মেম্বর তবে পুকুর খননের মুল মালিক মোঃ নজরুল ইসলাম এই এলাকার প্রভাবশালি ব্যাক্তি হওয়াই খমতা খাটিয়ে মোঃ সাদেক আলীকে দিয়ে পুকুর খননের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
দেশে কর্ম সংস্থানের সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে কৃষি আর কৃষি জমিকে ধ্বংস করে পুকুরে রুপান্তরিত করছে এই অসাধু চক্ররা বলে অভিযোগ উঠেছে।
আবা/রিফাত/লিয়াকত
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম