মুরাদ হোসেন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি ।। যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় বেপরোয়া নারী পাচারকারী ও হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়ন এর কালিয়ানি গ্রামের বিশ্বাস পাড়ার হাসেম আলী সরদার এর পুত্র তৌহিদুর রহমান (৩৫)দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের গরীব অসহায় নারীদের ভারতে অবৈধভাবে পাচার ও অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ী হিসাবে এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা যায় সে প্রাথমিক ভাবে অবৈধ পথে বাংলাদেশের নারীদের ভারতের মুম্বাইসহ বিভিন্ন রাজ্যে পাচার করে থাকে। তারপর একটা পর্যায়ে সে শুরু করে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা। এছাড়াও অবৈধ ম্যাসেঞ্জারের ব্যবসা আছে তার।যেহেতু তার বাড়ি সীমান্তবর্তী এলাকায় সেই সুবাদে ভারতীয় সিমের মাধ্যমে অবৈধভাবে নারীপাচার কাজ সহজেই চালাতে পারে। সীমান্ত এলাকা অর্থাৎ তার এলাকার প্রায় প্রতিটি মানুষই তার ব্যাপারে অবগত আছে হুন্ডি ব্যবসায়ী হিসেবে।
এরই মধ্যে সে কয়েকবার পুলিশের কাছে পাচার ও হুন্ডি ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে ধরা পড়েছে। বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তখনকার তদন্ত অফিসার কয়েক কোটি টাকা ব্যাংক রিসিভ সহ তার মোবাইল ফোন ও তাকে আটক করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন বড় আকারের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তার এই চোরাকারবারি হুন্ডির ব্যবসার অভিযোগ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য প্রশাসনকে প্রদান করে এক মোরা গাজা নিয়ে জ্বেলে যাই। তার পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন জায়গায় তার সহযোগী ব্যবসায়ী ও লেবার আছে।যারা তার সাথে সরাসরি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ইতিমধ্যে জানা গেছে অগ্রভুলোটের আব্দুল মালেক তার নারী পাচার ও হুন্ডি ব্যবসার অন্যতম প্রধান সহযোগী।এছাড়া আব্দুল মালেক বিভিন্ন প্রকার মাদক ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। সে ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকার পাচারকারী প্রধান হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।প্রকৃতপক্ষে তার হুন্ডি প্রধান ব্যবসা যেটা বাংলাদেশের আইন মোতাবেক বেআইনি। এ ধরনের দুষ্কৃতিকারী দেশের অর্থ রেমিটেন্সের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আইন অনুযায়ী সে দেশদ্রোহী হিসেবে গণ্য হয়।
ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ জনগণের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রথমেই সবাই আতঙ্কিত কারণ সে নিজের প্রভাব খাটিয়ে অনেক নিরীহ নারীকে ভারতে পাচার করে দেয়। এই ভয়ে কেউ কথা বলতে চাইছিল না। পরবর্তীতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লোকের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যায় যেখানে সবাই একই বর্ণনা দেয়। তার নিজগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী গোগা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলো বিভিন্ন ভাবে অতিষ্ঠ তার কর্মকাণ্ড। এলাকার শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ এ ধরনের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। তার পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন জায়গায় তার সহযোগী ব্যবসায়ী ও লেবার আছে।যারা তার সাথে সরাসরি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ইতিমধ্যে জানা গেছে অগ্রভুলোটের আব্দুল মালেক তার নারী পাচার ও হুন্ডি ব্যবসার অন্যতম প্রধান সহযোগী।এছাড়া আব্দুল মালেক বিভিন্ন প্রকার মাদক ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। সে ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকার পাচারকারী প্রধান হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।প্রকৃতপক্ষে তার হুন্ডি প্রধান ব্যবসা যেটা বাংলাদেশের আইন মোতাবেক বেআইনি। এ ধরনের দুষ্কৃতিকারী দেশের অর্থ রেমিটেন্সের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
আইন অনুযায়ী সে দেশদ্রোহী হিসেবে গণ্য হয়। ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ জনগণের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রথমেই সবাই আতঙ্কিত কারণ সে নিজের প্রভাব খাটিয়ে অনেক নিরীহ নারীকে ভারতে পাচার করে দেয়। এই ভয়ে কেউ কথা বলতে চাইছিল না। পরবর্তীতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লোকের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যায় যেখানে সবাই একই বর্ণনা দেয়। তার নিজগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী গোগা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলো বিভিন্ন ভাবে অতিষ্ঠ তার কর্মকাণ্ড। এলাকার শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ এ ধরনের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম