
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পিটুনির শিকার হওয়া ওই যুবক শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত হেলাল আকন কৃষ্ণনগর গ্রামের শাহজাহান আকনের ছেলে।
নিহতের স্ত্রী শারমিন বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রতিবেশী মনা খানের ছেলে আবুল ও তার ভাই আমার স্বামীকে ডেকে নিয়ে লাঠি দিয়ে এলোপাথারি মারধর করে। এতে সে অচেতন হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের বিচার চাই।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন হেলাল আকন নামের এক যুবককে এলোপাথারি পিটিয়ে বাড়ির অদূরে ফেলে রেখে চলে যায়। হেলালের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হেলালের মাথার আঘাত ছিল গুরুতর।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়। হেলালের সাথে স্থানীয় কিছু লোকের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। আমরা অপরাধীদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছি।
আবা/রিফাত/টিটু
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম