শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, ’চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে নিজেকে গড়তে আইসিটির বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুন প্রজন্মকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তারা আমাদের মেধা-মননে যে শূন্যতা তৈরি করতে চেয়েছিল সেই শূন্যতা তরুণ প্রজন্মকে পূরণ করতে হবে।’
এসময় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহামান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা।
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেম রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ। আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগেরর প্রভাষক বনানী আফরীন।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে সকাল পৌনে ৯ টার দিকে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এবং কালো পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহামান।
পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে এক শোক র্যালি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্মৃতিসৌধে এসে মিলিত হয়।
[caption id="attachment_14448" align="alignleft" width="452"]
ছবি: আজহারুল ইসলাম[/caption]
এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ সহ বিভিন্ন আবাসিক হল প্রভোস্ট, অনুষদীয় ডীন, বিভাগীয় সভাপতি, বিভিন্ন হল, বিভাগ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনসমূহ র্যালিতে অংশ নেন।
পরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শহীদ স্মৃতিসৌধে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এসময় সাথে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়র বিভিন সমিতি, হল, অনুষদ, বিভাগ, পরিষদ, ছাত্র-সংগঠন এবং বিভিন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে শহীদদের স্মৃতির স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং তাঁদর আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব ড. আ স ম শোয়াইব আহমেদ।