নগর প্রতিবেদক।। রাজাকারের তালিকায় কিছু মুক্তিযোদ্ধার নাম আসায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর শিল্পকলায় মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা নিয়ে লেখা 'মুক্তিযুদ্ধ এবং আমি' মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভুলের পরিমাণ বেশি হলে রাজাকারের তালিকা প্রত্যাহার করা হবে। আর ভুলের পরিমাণ কম হলে ভুলবশত যাদের নাম এ তালিকায় এসেছে, সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে।’
সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তালিকা প্রকাশ করেছি, তালিকা প্রনয়ন করেনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে দেয়া হয়েছে, আমরা সেভাবে প্রকাশ করেছি। আমাদের জানা মতে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তারাও তালিকা করেনি, ৭১ সালে যেভাবে সংরক্ষিত ছিল, সেটাই আমাদেরকে দিয়েছে। রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম আসায় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা যাচাই করে পরে আমাদের মতামত প্রকাশ করবো।’
তিনি বলেন, ‘যেগুলোর ব্যাপারে অভিযোগ পাবো, দুঃখ প্রকাশ করে প্রত্যাহার করা হবে। সামনে যেসব তালিকা প্রনয়ন করা, সেগুলো যাচাই করেই প্রকাশ হবে।’
বিএনপি-জামায়াত এখানে হাত দিয়ে এমনটা করতে পারে কিনা? এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘এই সম্ভবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে এটা ধারণা মাত্র। অভিযোগের মাত্র কতটুকু, তার উপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘যদি অধিক সংখ্যকের ব্যাপারে প্রশ্ন ওঠে রাজাকারের তালিকা নিয়ে সেক্ষেত্রে তালিকা প্রত্যাহার করবো, অন্যথায় যেগুলোতে অভিযোগ, সেগুলোই প্রত্যাহার করা হবে।’
গত রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। সচিবালয় সংলগ্ন সরকারি পরিবহন পুল ভবনের ৬ তলায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা ঘোষণা করেন তিনি।
একাত্তরে খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনে যারা পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিলেন, সেসব রাজাকারের তালিকার প্রথম পর্ব প্রকাশ করা হয় ওইদিন।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম