
নিজস্ব প্রতিবেদক।। আবারও দ্বিতীয় বারের মত আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি ও বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী। আবারও আওয়ামী. প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে মনোনিত হওয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবকলীগ বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ।
রবিবার(২২ ডিসেম্বর ) ফুল দিয়ে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।এসময় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শেখ উজ্জল।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সাল থেকেই গোপালগঞ্জ-১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসন থেকে আওয়ামীলীগের টিকিটে বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন ফারুক খান। সংসদ সদস্যের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মহাজোট সরকারের আমলে প্রথমে বাণিজ্য মন্ত্রী ও পরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন ফারুক খান। বর্তমান মন্ত্রিসভায় না থাকলেও দলের ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে ফারুক খানকে। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এরপর ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় ফারুক খানকে। মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর দিকে সর্বদা নজর রাখেন। তার কর্মতৎপরতার দ্বারা ওই অঞ্চলে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্বল হয়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি পূরণে সফল। তার সবচেয়ে বড় অর্জন নির্বাচনী এলাকার প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ, পাকা সড়ক পথ নির্মাণ করেছেন। অসংখ্য বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ করেছেন। মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি ইতেমধ্যে কয়েকটি ব্রীজের কাজ সম্পন্ন করিয়েছেন। ব্রীজ নির্মাণ করে এমপি তাঁর দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। এলাকার উন্নয়নে এমপির সফলতার কারণে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ তার ওপর অনেক খুশি। তার নির্বাচনী এলাকায় কাজ হচ্ছে অনেক স্বচ্ছতার সঙ্গে। সিডিউল অনুয়ায়ী সড়কের কাজ হচ্ছে। উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা ও কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়ম ও লুটপাট নেই বললেই চলে। অনেক এমপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি রয়েছেন এর থেকে মুক্ত। কাশিয়ানী মুকসুদপুরের উন্নয়নের অগ্রসৈনিক মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে গোপালগঞ্জ-১ আসন তথা মুকসুদপুর-কাশিয়ানীতে। জননেতা ফারুক খান তার ঢাকা-মাওয়া-খুলনা রাস্তার মুকসুদপুর কাশিয়ানীর অংশসহ প্রতিটি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছেন। মুকসুদপুর কলেজ সরকারীকরণ, এসজে হাই স্কুলকে মডেল প্রকল্পে নেয়া, সর্বশেষে জাতীয়করণসহ অসংখ্য শিক্ষা- প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন ভবন নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজ করেছেন। নির্বাচনী এলাকার প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপন করেছেন। তিনি ইতেমধ্যে মুকসদপুর উপজেলার টেংরাখোলা, বনগ্রাম বাজার, কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। মুকসুদপুর হাসপাতালকে ৩৯ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণসহ কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্যানিটেশন কার্যক্রমের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় প্রধানমন্ত্রী তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী হিসেবেও তাকে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন। মুহাম্মদ ফারুক খান ছিলেন একজন সফল মন্ত্রী। এলাকার উন্নয়নে মুহাম্মদ ফারুক খান একজন রূপকার। তার নেতৃত্বেই এলাকার সকল জনপ্রতিনিধি নেতাকর্মী একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিমাসেই তিনি উন্নয়ন সমন্বয় সভায় যোগদান, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। উন্নয়ন কাজের সরাসরি তদারকি করছেন। সরকারি উচ্চ পর্যায়ে চিঠিপত্রসহ সার্বিক যোগাযোগ রাখছেন। উন্নয়নের এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে তার নজর নেই। তৃণমূলের রাজনীতিতে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানি এলাকার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা জেলার রাজনীতিকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করছেন।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/রি
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম