শেরপুর সংবাদদাতা।। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সেচ কমিটির অনুমতি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছেন গভীর নলকুপ স্থাপনকারী অর্ধশতাধিক কৃষক। আবেদনকারী কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বোরো মৌসুমের ২/৩মাস পূর্বে সেচ কমিটির অনুমতি পেতে তারা আবেদন করেছেন। অথচ বোরো মৌসুম শুরু হয়ে গেলও আজও তারা অনুমতি পাননি। ফলে বোরো আবাদ ব্যাহত হবার আসংকায় পড়েছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, গভীর নলকুপ স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে উপজেলা সেচ কমিটির অনুমতি এবং ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি নির্বাহী অফিসার ও সদস্য সচিব বিএডিসি’র মাঠ কর্মকর্তা।
কৃষকরা গভীর নলকুপ স্থাপনের পূর্বে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতির কাছে আবেদন করেন। প্রথমে বিএডিসি’র মাঠ কর্মকর্তা সরেজমিনে এক নলকুপ থেকে অপর নলকুপের দূরত্বসহ সঠিকতা যাচাই-বাছাই শেষে তা অনুমতির জন্য সুপারিশ করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২য় দফায় মাঠ পরিদর্শন শেষে কৃষকদের ছাড়পত্র দেন। ওই ছাড়পত্রের বলে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চালাতে হয় গভীর নলকুপ।
কাংশা গ্রামের কৃষক আঃ কাদের, আঃ লতিফ, আঃ আওয়াল, মোহাম্মদ আলী, তাওয়াকোচা গ্রামের হাজ্বী নূর উদ্দিন, আহাম্মদ আলী, দুপুরীয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন, সাহেব আলী, আলী মিয়া ও আনিছ মিয়া, নাচুন মহুরী গ্রামের রুবেল, হিটলার পানবর গ্রামের মোশারফ হোসেন ও হাছেন আলীসহ আরো অনেকেই জানান, চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যে তারা প্রায় ৩মাস পূর্বে আবেদন করেছেন। কিন্তু আজো ছাড়পত্র না পেয়ে বোরো আবাদ না করতে পারার আসংকায় তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
বিএডিসি’র মাঠ কর্মকর্তা ফজলুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মাঠ পরিদর্শণ করে আবেদনগুলো সেচ কমিটির সভাপতির নিকট পৌছানো হয়েছে। তিনি ছাড়পত্র দেবেন বলে জানান। সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের সাথে কথা বলতে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
আ/রিফাত
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম