প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১১:২৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১৯, ২০২০, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
প্রশাসনকে ফাকি দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন

মেহেরপুর সংবাদদাতা।। জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতিমালা লংঘন করে এলাকার প্রভাবশালীরা নির্বিঘ্নে ভৈরব নদের পাড়সহ পাশে ফসলি উর্বর কৃষি জমি নষ্ট করে ব্যাপক হারে মাটি উত্তোলন করছে। ফলে এলাকার সাধারণ জমির মালিকেরা চরমভাবে হতাশ। ভৈরব নদের পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার পর তা পরিবহনের জন্য পাকা ও কাঁচা সড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে। মাটি বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করায় রাস্তা গুলো ভেঙ্গে গিয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। আর সড়কগুলো নষ্ট হওয়ায় ভোগান্তি পোহাচ্ছে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।
জেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধ্য ভাবে ফসলি জমিসহ নদীর পাড়ের জমির মাটি সাবাড় করলেও জোরালো কোন পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে জেলা জুড়ে চলছে অবৈধ্য মাটি ও বালু উত্তোলন। মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুরের পাশে ভৈরব নদের কাটাই খাল এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে নষ্ট করছে নদীর পরিবেশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার সাধারন জমির মালিকরা। আর এই মাটি যাচ্ছে মহাজনপুর প্রধান সড়কের পাশেই আব্দুর রাজ্জাকের এস আর বি ইট ভাটায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাটি কাটার মেশিন ব্যবহার না করে কৌশলে লেবার দিয়ে ভৈরব নদের কাটাই খাল এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়, প্রত্যেক দিন ২০ থেকে ৩০ ট্রলি মাটি উত্তোলন করে ট্রাক্টর দিয়ে বহন করে সেই মাটি ভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, ভৈরব নদের পাড়ের মাটি কাটার কারণে আমাদের ফসলি জমিগুলো বিনষ্ট হচ্ছে। ভৈরব নদের মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে এস আর বি ইট ভাটায়।জামির মালিক ইমরুল জানান, আমার জমির পাশের জমিতে মাটি কাটায় আমার জমিতে রোপণ করা কলাগাছ এবং ফসলের জমি নিচে নেমে যাচ্ছে। আমি কিছু বলতে গেলে আমার কোন কথায় কর্ণপাত করে না। এভাবে মাটি কাটা চলতে থাকলে আমাদের জমিসহ আশেপাশের জমি ভেঙ্গে যাবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মাটি উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে,আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রাজু জানান, আমরা কোন জায়গা থেকে মাটি কাটছি না। আমাদের এখানে মাটি দিচ্ছে বাবুপুর গ্রামের লাল্টু মিয়া। লাল্টু তার জমি থেকে মাটি কেটে আমাদের দিচ্ছে। তবে মাটি কাটার অনুমতি পত্রের বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেনি। পরে রাজুর মাধ্যমে লাল্টু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ আছে বলে রাজু জানান। এবিষয়ে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান গনি জানান, ভৈরব নদের পাড়ে মাটিকাটার অভিযোগ শোনার পরপর আমি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে যারা মাটি কাটছিলো তারা সবাই পালিয়ে যায়।
আ/রিফাত
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম