চরফ্যাসন সংবাদদাতা।। মাত্র দেড় বছরে নানা ধরনের উন্নয়ন ও সেবা মূলক কাজ করে উন্নয়নমুখী,শিক্ষা ও জনবান্ধব একজন ইউএনও হিসেবে পরিচিতি হয়েছেন,ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)জনাব মোঃ রুহুল আমিন।চরফ্যাসন উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও)রুহুল আমিন যোগদান করার পরই পাল্টে যায় চরফ্যাসন উপজেলার চিত্র।তার কাছে গিয়ে নিরুপায় হয়ে ফিরে এসেছেন এমন অভিযোগ কারী চরফ্যাসন উপজেলায় বিরল।সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে জনগণের অভাব ও অভিযোগই কেবল শোনা যায় নিত্য।
তবে তাদের মাঝে বতিক্রমও পাওয়া যায় কাউকে কাউকে।যারা নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে জনগণের আস্থারস্থল ও প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠেন। হয়রানি থেকে মুক্তি দেন মানুষকে, নিজের সরকারি দপ্তরকে করে তোলেন জনবান্ধব।
তেমনই একজন কর্মকর্তা চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।চরফ্যাসন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও)রুহুল আমিন মাত্র ১ বছর ৫ মাসের মধ্যেই বদলে দিয়েছেন চরফ্যাসনের চিত্র,এবং চরফ্যাসন উপজেলার প্রিয় কর্মকর্তা হয়ে উঠেছেন।চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন তার মেধা ও কর্ম দক্ষতা দিয়ে কাজ করে ইতিমধ্যে তিনি জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।উপজেলার বিভিন্ন অফিস থেকে অনিয়ম দূর্নীতি প্রতিরোধ করে মডেল উপজেলায় রুপান্তরিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন।
২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে যোগদানের পর উপজেলার অফিসের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে গতিশীল হয়েছে কাজ,দুর হয়েছে সেবা প্রার্থীদের হয়রানি ও ভোগান্তি।রুহুল আমিন চরফ্যাসন উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করে বিভিন্ন সময়োপযোগী কার্যক্রমের ফলে পাল্টে গেছে উপজেলার সার্বিক চিত্র।উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতে নজর রাখা,প্রতিটি অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি এবং ভোগান্তি কমানো,প্রকৃত কৃষকের মাঝে উপকরন বিতরন, বৃক্ষরোপণ অভিযান,প্রকৃত হতদরিদ্রের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া,ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা, বাল্যবিবাহ বন্ধ, হাট বাজারগুলো আধুনিক করা,স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা,প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্টন, ভিক্ষুকমুক্ত,গৃহহীন দের ঘর নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহনসহ প্রভূতি কাজের জন্য পাল্টে গেছে পুরো উপজেলার চিত্র।বিশেষ করে বাল্য বিবাহ বন্ধ ও মাদক প্রতিরোধে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)রুহুল আমিন গত এক বছরে প্রায় অর্ধশত বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দিয়েছে।উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানায়,গরিব মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য গরু,ছাগল ও সেলাইমেশিন কেনার অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।ঠিকাদার রোগা ও কম দামের গরু ছাগল কিনে আনেন।দূর্নীতির বিরুদ্ধে ইউএনও এর শক্ত অবস্থানে থাকার কারনে তা বিতরন করতে পারেনি।চরফ্যাসন উপজেলার সবকয়টি পরিক্ষা কেন্দ্র নকল মুক্ত করার লক্ষ্যে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন ইউএনও রুহুল আমিন।চরফ্যাসন উপজেলা ভিক্ষুক মুক্তকরন, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পূনর্বাসন সংস্থার জন্য নেওয়া টাকা খরচের ব্যাপারে স্বচ্ছতার স্বাক্ষর রেখেছে ইউএনও।নেওয়া সকল অর্থ সংস্থার ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করা হয়েছে।চরফ্যাসন উপজেলার কয়েকজন সচেতন মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউএনও,রুহুল আমিনের ফলেই উপজেলার অফিসগুলোতে অনিয়ম দুর্নীতি ও ভোগান্তি কমেছে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।চরফ্যাসন উপজেলা।
নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ রুহুল আমিন জানায়,আমি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছি, যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি আমার উপর সরকারের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার। মানুষ তার কর্মের মধ্যে দিয়ে চিরজীবন বেঁচে থাকে, আমিও আমার কর্ম দিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।এবং সকল কাজে চরফ্যাসন বাসীর সহযোগিতা ও সমর্থন ছিল আমার মূল প্রেরণা।