প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৮:২৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ১:২৮ অপরাহ্ণ
ইবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ: তদন্তে কমিটি গঠন

ইবি সংবাদদাতা।। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রিন্টিং প্রেস অফিসের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে, তদন্ত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেনকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে প্রকৌশল অফিসের উপ-প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম শরিফ উদ্দিন।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ইবি কর্মকর্তা মনিরুলের বিরুদ্ধে তার ঘনিষ্ট বন্ধু মাসুদ করিমের কাছ থেকে গত বছরের ১৫ জানুয়ারি ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ ওঠেছে।
নির্ধারিত সময়ের পরে মাসুদ তার কাছে টাকা চাইলে গত ১৩ জানুয়ারি সব টাকা ফেরত দেয়ার অঙ্গিকার করেন। কিন্তু তিনি ঐ তারিখে টাকা প্রদানে অপারগ হওয়ায় অগ্রণী ব্যাংক, ইবি শাখার ৪২৯৬ হিসাব নম্বরে একটি চেক প্রদান করেন।
পরে মাসুদ ঐ তারিখেই চেক নগদায়নের জন্য ব্যাংকে জমা দিলে অপর্যাপ্ত তহবিল স্বাক্ষরে অমিল মর্মে একটি ডিজঅনার স্লিপ সহ ফিরিয়ে দেন। অর্থের বিষয়ে মনিরুলকে অবহিত করার পরেও সে টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করাই এবং হিসাব নম্বরে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় প্রতারণ করে টাকা আত্মসাত করার অসৎ উদ্দেশ্যের অভিযোগ এনে সে আইনজীবীর দ্বারস্থ হন।
পরে সম্প্রতি ঐ কর্মকর্তা বরাবর উকিল নোটিশ পাঠানো হয় এবং যা বিভিন্ন জাতীয়-অনলাইন দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে ফাঁসানোর জন্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঐ কর্মকর্তা।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম