আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। শামীমা নূর ওরফে পাপিয়া তার নিজ বাসা নরসিংদীতে এক ব্যাক্তিকে তার বাসায় আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে তাকে মারধর করতেন। তিন দিন তাকে বাসায় আটকে মোট ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে মুক্তি দেন তাকে। এমন ঘটনা শিকার এক ব্যবসায়ী দেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্র প্রথম আলোকে এসব অভিযোগ করেন। অভিযোককারী একটি নিরাপত্তা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করা হয় তাকে। এসময় তার সাথে গ্রেফতার করা হয় তার দুই সহযোগী অপর দুই আসামি পাপিয়ার সহযোগী সাব্বির খন্দকার ও শেখ তায়্যিবা। তাদের বিরুদ্ধে ররাজধানীর বিমানবন্দর থানায় অর্থ পাচার ও জাল টাকা রাখার ঘটনায় একটি মামলা এবং শেরেবাংলা নগর থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা হয়। গ্রেপ্তারের পর ১৫ দিনে রিমান্ডে পুলিশ তাদেঁর জিজ্ঞাসাবাদ করছে। গতকাল ছিল তাদের রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন।
পাপিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কায়কোবাদ কাজী প্রথম আলোকে বলেন, জোর করে আটকে রেখে শুধু মুক্তিপণ আদায়ই নয়, পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মাদক ব্যবসা করতেন। তদবিরের নামেও তাঁরা অনেক লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে এসব বিষয় তাঁরা স্বীকারও করেছেন।
পাপিয়া যাকে অপহরণ করেছিল সেই ব্যবসায়ী টোকন তালুকদার প্রথম আলোকে জানান, নরসিংদীতে তিনি এক ব্যাক্তির কাছে টাকা ধার পেতেন। এজন্য তিনি তার কাছ থেকে টাকা চািইতে গেলে ব্যাক্তিটি তাকে পাপিয়ার কাছে নিয়ে যান তার বোনের বাসার পরিচয় দিয়ে । এরপর পাপিয়ার সহযোগীরা তাকে বিভিন্ন অপত্তিকর ছবি তুলে তার কাছ থেকে মুক্তিপন হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।
টোকন জানান, টাকা দিতে অস্বকৃীতি জানালে তাকে মারধর করে এবং তার কাছে থাকা ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। এরপর তার আত্নীয়স্বজনের মাধ্যমে দুদিন পর সোনালী ব্যাংকের নরসিংদী শাখায় ২ লাখ ৬০ টাকা জমা দিয়ে তিনি ছাড়া পান।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম