প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ৫:০৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ৫, ২০২০, ১১:১২ অপরাহ্ণ
তালায় প্রধান শিক্ষক মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

দৌলতপুর(খুলনা)সংবাদদাতা।। তালার খেশরা এইচএমএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম মোবারক হোসেন এর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎসহ সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরারব লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে ০৫.৪৪.৮৭০০.০২৩.০১.০০২.১৯.১৬৯ নং স্মারকের পত্রে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শাহাদাৎ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা গফুর গোলদার, বর্তমান ম্যানিজিং কমিটির সদস্য ময়নুল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি এই অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, এম মোবারক হোসেন ২০০৯ সালে খেশরা এইচএমএস বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পর হতে সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের কারণে বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো ও আইন শৃংখলা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে। লিখিত অভিযোগে আরও জানা যায়, প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব নেওয়ার পর হতে ৮ জন শিক্ষক নিয়োগ দেন। নিয়োগ প্রাপ্তদের নিকট হতে ৩২ লক্ষাধিক টাকা উৎকোচ হিসেবে গ্রহণ করেন। যা সম্পূর্ণ টাকা নিজের পকেটে ভরেন। এছাড়া প্রতি বৎসর ৬ বিঘা জমির হারি তোলেন- যা ১২ বছরে ৫ লক্ষাধিক টাকা, স্কুলের পুরাতন বই ও খাতা বিক্রি বাবদ ১ লক্ষ টাকা, নিষিদ্ধ গাইড বই বিক্রি বাবদ ৩ লক্ষ টাকা, বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির ১ লক্ষ টাকা, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল বাবদ ১লক্ষ টাকা, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার্থীদের এডমিট কার্ড বিতরণের জন্য ১ লক্ষ টাকা, প্রসংশা পত্র ও সার্টিফিকেট বাবদ ১লক্ষ টাকা, এসএসসির বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট হতে আদায়কৃত ৮০ হাজার টাকাসহ মোট অর্থকোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ছাড়া কোচিং ও অন্যান্য পরীক্ষা ফিসের টাকা সহকারী শিক্ষকদের মাঝে সামান্য পরিমান বিতরণ করে সব টাকা নিজের পকেটে ভরেন। ২০১০ সাল হতে অদ্যাবদি বিনা রশিদে ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন ও অন্যন্য ফি আদায় করেন। যাতে কেউ হিসাব না নিতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করায় প্রধান শিক্ষক এম মোবারক হোসেন, হরিহরনগর গ্রামের মৃত আঃ সালামের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিমকে প্রকাশ্যে দিবালোকে মারতে উদ্ধত হন।
এ বিষয়ে এইচএমএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম মোবারক হোসেন বলেন, আমি এ বিষয়ে মোটেও জড়িত নই। যে কোন সময় আমার কাছে হিসাব চাইলে আমি দিতে পারবো।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম