এআর সোহেব চৌধুরী।। ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেলো এক ছাত্রি। (৯মার্চ সোমবার) উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিরদোন এলাকায় ওই ছাত্রির বাড়িতে বিয়ের পূর্ব মূহুর্তে বিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন।
মেয়েটি চেয়ারম্যানবাজার ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রি। এসময় জাল জন্ম সনদের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে মেয়েকে বাল্য বিবাহ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার দায়ে ওই ছাত্রির পিতা মোঃ তাজল ইসলামকে প্রশাসন কর্তৃক উপজেলায় নিয়ে আসা হয়।
নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, স্থানিয় এলাকাবাসি ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে তিনি মেসেজ পান। পরে স্থানিয় চেয়ানম্যানের মাধ্যমে বিয়ে ও বৌভাত অনুষ্ঠান বন্ধ করে কনে ও তার পিতাকে উপজেলায় নিয়ে আসা হয় এবং চেয়ারম্যানের জিম্মায় ১৮ বছরের পূর্বে বিয়ে দেওয়া হবেনা মর্মে লিখিতভাবে মুচলেকার মাধ্যমে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম