ঢাকা।। আজ ১৪ই মার্চ। আন্তর্জাতিক গণিত দিবস। জীবনের সর্বস্তরে গণিতের প্রয়োজনীতা অপরিহার্য। সমাজের সর্বস্তরেরই গণিতের প্রয়োজন রয়েছে। গণিতের উন্নয়নেন সাথে সাথে মানবসভ্যতারও উন্নতি হয়েছে। আমাদের চারপাশে যা কিছু রয়েছে সবকিছুর অন্তরালে রয়েছে গণিতের যুক্তির সঠিক প্রয়োগ। ফলে গত ২৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৪০ তম সাধারণ সভায় এ দিনটিকেকে গণিত দিবস ঘোষণা করা হয়।
গাণিতিক ধ্রুবক পাই-এর সম্মানে দিবসটি পালন করা হয়। পাই দিবস ১৪ মার্চ দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটে পালন করা হয়। এ দিন দুপুর ১টা ৫৯ মিনিট ২৬ সেকেন্ডকে পাই সেকেন্ড বলা হয়।
১৯৮৮ সালে পদার্থবিদ ল্যারি শ’ পাই দিবসের ধারণার প্রবর্তন করেন। সান ফ্রান্সিকোর বিজ্ঞান জাদুঘরের কর্মকর্তা ল্যারি শ’ এ দিবস পালনের উদ্যোক্তা বলে তাকে ‘পাই-এর রাজপুত্র’ বলা হয়। ২০০৯ সালের ১২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৪ মার্চকে জাতীয় পাই দিবস হিসেবে পালনের অনুমোদন দেয়। তবে বাংলাদেশে পাই দিবস উদযাপিত হচ্ছে ২০০৬ সাল থেকে। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির উদ্যোগে দেশে এই দিবস উদযাপন শুরু হয়। দেশের বেশ কিছু গণিত ক্লাব ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্যে দিবসটি পালিত হয়।
ইউক্লিডীয় সমতলীয় জ্যামিতিতে, বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাতকে পাই হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। উইলিয়াম জোনস সর্বপ্রথম ১৭০৬ সালে পাই প্রতীকটির প্রচলন করেন। তবে এ প্রতীকটিকে জনপ্রিয় করেন সুইস গণিতবিদ লিওনার্দো ইউলার।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম