নিজস্ব প্রতিবেদক।। করোনার প্রাদুর্ভাব দূরীকরণের জন্য সব ধরনের সামাজিক কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি অবাধে বেড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন ভিক্ষুক ও খাবার হোটেলের উচ্ছিষ্ট চেয়ে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষগুলো। মোকাবেলায় ঘরবন্ধি সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিলেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। দেশে করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে অযথা বাইরে না যেয়ে ঘরে থাকার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
রোববার দুপুরে নরসিংদী শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবন্ধী শিশুদের বাড়িতে বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন জেলা প্রশাসক। এছাড়াও হরিজন এবং হিজড়াদের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।
এসময় জেলা প্রশাসক আমাদেরবাংলাদেশ.কমকে জানান, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের নির্দেশনা জনগনের কাছে পৌছে দেয়া ও বাস্তবায়ন করা প্রধান কাজ। পাশাপাশি এই দুর্যোগ মোকাবেলায় দরিদ্র মানুষের পাশে সমাজের বিত্তবানদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। এছাড়া তিনি আরো বলেন শুধুমাত্র শহরের ১৬০ জন হতদরিদ্র ব্যক্তি যাদের আয় উপার্জনের কোন পথ নেই তাদেরকে নিয়মিত খাবার দিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। যতদিন তারা কর্মহীন থাকবেন ততদিন তাদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে।
এদিকে খোলাবাজারে (ওএমএস)এর ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কমল কুমার ঘোষ। এসময় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আশরাফুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় পরিচয় পত্রের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাউল এবং সেই সাথে ১৮ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি করে আটা প্রদান করা হচ্ছে। ওএমএস এর ডিলার শফিকুল ইসলাম জানান, প্রতি রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অর্থাৎ সপ্তাহে ৩ দিন এ চাল এবং আটা বিতরণ করা হবে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম