প্রিন্ট এর তারিখ: July 8, 2026, 3:28 pm || প্রকাশের তারিখ: April 6, 2020, 12:24 pm
আজিজুল ইসলাম।। করোনাভাইরাস সারাবিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সম্প্রতি মৌলভীবাজারের রাজনগর করোনা আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। কুলাউড়া উপজেলার ২ জনকে করোনা সন্দেহে তাদের নমুনা সংগ্রহ করতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জেলার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং লকডাউনের দাবি উঠে এসেছে।
তথ্য মতে, মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার আকুয়া গ্রামে সেনচু মিয়া নামে একজন জ্বর ও সর্দিতে মারা যান। করোনা সংক্রমণ হয়েছেন কি-না যাচাই করে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তিনি পেশায় পান-সিগারেটের ব্যবসায়ী ছিলেন। পুরো গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে।অন্যদিকে কুলাউড়া উপজেলায় করোনা সন্দেহে ২ জন ভাই-বোনের নমুনা সংগ্রহ করতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৌলভীবাজার জেলায় বিকাল ৫ টার পর থেকে জরুরি ঔষধের দোকান ব্যতীত সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রশাসন,পুলিশ ও সেনাবাহিনী মৌলভীবাজার জেলা রেখেছে নিরাপত্তা বেষ্টনীতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে গ্রামের বাজার-হাট, পাড়ার দোকান, ধর্মীয় উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে মানুষের জনসমাগম রয়েছে চোখে পড়ার মতো। পাড়ার মাঠে ছেলেরা দলবেঁধে খেলাধুলা ও একসঙ্গে বসে গল্প-গুজবে ব্যস্ত সময় পার করছে।পাড়া মহল্লায় পুরুষ-মহিলাদের যাতায়াত করছে নির্দ্বিধায়। পুলিশের আগমন তোয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীরা গোপনে রাত অবধি দোকান খোলা রেখে বসে আছে। শহরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে রিকশা, অটোরিকশা ও সিএনজি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ছে, তার জন্য গুনতে জরিমানা।কোন নিয়মনীতি যেন মানছেন না অনেকেই।
জনসাধারণের দাবি, প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে অসচেতনতার কারণে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি চরম মূল্য দিতে হতে পারে জেলাবাসীকে। তাই হতদরিদ্র, খেটে-খাওয়া ও দিনমজুর মানুষদের জন্য বিনামূল্যে কিংবা স্বল্পমূল্যে খাদ্যদ্রব্য জোগান নিশ্চিত। এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী হাতের নাগালে রেখে জনগণের সেবার মান উন্নয়নকল্পে অনতিবিলম্বে মৌলভীবাজার লকডাউন করা হউক।এমনটা উঠে এসেছে বিভিন্ন মহলের।