রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী, কলেজ গেইট, যুব উন্নয়ন এলাকা, মনতলা আদাম, সাপছড়ি, শিমুলতলী, মোনঘর, তবলছড়ি ও রিজার্ভ বাজার এলাকায় পাহাড়ের উপরে ও নিচে এবং পাহাড়ের কোল ঘেষে গড়ে উঠেছে বহু বসতঘর। মাটি ও গাছ কেটে ফেলায় এসব বসতি দিন দিন ঝুঁকিতে বাড়ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘটে পাহাড় ধসের মতো দূর্যোগ। গেল ২০১৭ সালে রাঙামাটিতে স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় ১৪০ জনের প্রাণহাণির ঘটনা ঘটে। পরের বছর পাহাড় ধসে মৃত্যু হয় ১৪ জনের। এ বছর গেল সোমবার কাপ্তাই উপজেলায় ২ জনের মৃত্যু হয় পাহার ধসে। এসব ঘটনার পরও একই জায়গায় আবারো গড়ে তোলা হয়েছে বসতঘর।
বর্ষা মৌসুমে বিগত বছরগুলোতে ব্যাপক প্রাণহানির বিষয়টি বিবেচনা করে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। গেল এপ্রিল মাস থেকেই একাধিকবার বৈঠক, মাইকিং, সভা-সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সাইনবোর্ড লাগিয়েছে জেলা প্রশাসন।
পাহাড়ের পাদদেশে যেসব স্থান নিরাপদ নয়, তা চিহ্নিত করে সেখানে বসবাসকারীদের বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।
আবা ডেস্ক: পাহাড় ধ্বসের ঝুঁকিতে রয়েছে রাঙামাটির ১৫ হাজার মানুষ। জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় বসবাসরত এসব মানুষকে সরাতে পারছে না প্রশাসন। তাই প্রতি বছর বর্ষা এলেই পাহাড় ধ্সসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগের ঝুঁকি রয়েই যায়। তবে জেলা প্রশাসন পাহাড় ধ্বসসহ যে কোন দূর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ব্যাপক উদযোগ নিয়েছে।