আবদুল্লাহ আল রিফাত।। করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক দুর্যোগে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এই দু:সময়ে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য সরকারি কয়েকটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু পাশে নেই বেসরকারি নামী-দামী হাসপাতালগুলো।
কয়েক দশকে উন্নত সেবার জন্য দেশে গড়ে উঠেছে নামী-দামী অনেক বেসরকারি হাসপাতাল। বছরের অন্য সময় এসব হাসপাতাল পরিপূর্ণ থাকে উচ্চবিত্তের মানুষে। খরচ বেশি হওয়ায় এসব হাসপাতালে সাধারণ মানুষের প্রবেশ অনেকটাই সীমাবদ্ধ। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশও যখন করোনা ভাইরাস নিয়ে যুদ্ধ করছে তখন, এই হাসপাতালগুলো এমন দুর্যোগকালে একেবারেই নিরব।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা এসব হাসপাতালে নেই। উপরন্তু জটিল, গুরুতর অসুস্থ কিংবা সাধারণ রোগীদেরও ফিরিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা। এমন অভিযোগ আসে ভুক্তভোগিদের কাছ থেকে।
সাধারণ মানুষ বলছেন, এই ক্রান্তিকালে এসব হাসপতালগুলোকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এগিয়ে আসা উচিত।
দেশের দুর্যোগে এই হাসপাতালগুলো কেন পাশে নেই? এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ডাক্তার রশিদ-ই-মাহবুব বলেন, ছোট ছোট ক্লিনিকগুলোও করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত না। কিন্তু নামী দামী হাসপাতালগুলো মুনাফা করার প্রবণতার কারণে নিরব বলে মনে করেন তিনি।
দেশের এই দুর্যোগে বেসরকারী হাসপাতালগুলোকে সরকারের সাথে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
(আমাদেরবাংলাদেশ/লাবনী)
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম