জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার (৩০শে এপ্রিল) বেলা ৩টা থেকে এই লকডাউন কার্যকর শুরু হয়। জেলা লকডাউনের ফলে জেলার বাইরে জনসাধারণের যেমন প্রস্থান বা যাওয়া নিষেধ তেমনি অন্য জেলা থেকে এই জেলায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই লকডাউন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
সরকারী জরুরী পরিষেবা ছাড়া সব লকডাউনের আওতায় থাকবে। এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এর আগে নাটোর সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসকের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত ২৬শে এপ্রিল ওই চিকিৎসকের নমুনা পাঠানো হয়েছিল। বুধবার (২৯শে এপ্রিল) রাতে তার রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। এতে সদর হাসপাতালের ১৯ চিকিৎসক ও ৪০ নার্সকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত ওই চিকিৎসকের বাড়িও লকডাউন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নাটোর জেলায় এ পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৯ জন। জেলা লকডাউন ঘোষণা করার আগে গত মঙ্গলবার থেকে করোনায় আক্রান্ত এলাকা নাটোর সদরের ছাতনী ইউনিয়ন ও নাটোর সদর হাসপাতাল, সিংড়া উপজেলা ও গুরুদাসপুরের নাজিরপুর ইউনিয়ন লকডাউন করা হয়েছে।
(রিফাত/আমাদেরবাংলাদেশ)
