প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১১:০১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ৪, ২০২০, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
দৌলতপুরের মরিচা ইউ.পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তথ্যবিভ্রাট শিরোনাম দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার

এই ঘটনার তদন্ত করে সত্যতাও মিলেছে এবং ইউপি সদস্য নিজেও স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে উনার সাংসারিক অস্বচ্ছলতার কারনে আরেকজনের নাম ব্যবহার করে উনি চাউল উত্তোলন করতেন।কিন্তু যার কার্ড উনি ব্যবহার করতেন সম্পর্কে ঐ কার্ডধারী মহিলা উনার জা(দেবরের বউ) হন এবং তিনি ইতিমধ্যে সেই কার্ড সমঝোতার মাধ্যমে দিয়েও দিয়েছেন।
কিন্তু এই ভিজিডি কার্ড ইস্যু এবং চাউল আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের নামে বলে অপপ্রচার করা হচ্ছে। জানা গেছে, গত দুই বারের চেয়ারম্যান শাহ্ আলমগীরের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে। এলাকায় এই পরিবার বেশ জনপ্রিয়। বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ্ আলমগীরের এলাকার উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে ও মাহবুবউল আলম হানিফের হাতকে শক্তিশালী করতে, তার উন্নয়ন কাজকে এগিয়ে নিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।
এ বিষয়ে মরিচা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি আমাদেরবাংলাদেশ.কমের প্রতিবেদককে জানান যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এবং তথ্যবিভ্রাট করে মিথ্যে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে কারন এই ভিজিডি কার্ড ইস্যু করার ক্ষমতা বা এখতিয়ার চেয়ারম্যানের নেই।এটা ইস্যু করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা।
আমি শুধুমাত্র প্রতি ওয়ার্ড প্রতি মেম্বরদের মাঝে কার্ড ইস্যুর পূর্বে সমবন্টন করে দিয়েছি এখন স্ব-স্ব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা যদি মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজেদের কিংবা পরিবারের সদস্যদের নামে কার্ড ইস্যু করান এ বিষয়ে আমি কি বলতে পারি।এমনকি কার্ড ইস্যুর পর নিয়োগকৃত একজন ডিলারের মাধ্যমে চাউলটা বিতরন করা হয়।আর অধিকাংশ ইউপি সদস্যরা পারিবারিক ভাবে অস্বচ্ছল ও হয়তো অনেক সময় এ তথ্য জানলেও মানবিক কারনেও কিছু বলা যায়না।
এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকতার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আসলে ভিজিডি এবং ওএমএস কার্ড ইস্যু করা হয় আমাদের কার্যালয় থেকেই।প্রতিটা মেম্বররা যে তালিকা বা নাম দেন সেই নামের উপরেই কার্ড ইস্যু হন।
কিন্তু মেম্বররা যদি নিজেদের তথ্য গোপন করে নিজেদের নামে কিংবা পরিবারের নামে কার্ড ইস্যু করান তবে আমরা কিভাবে ধরবো।আর আমার জানামতে মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়ার এবং বৈরাগীরচরের দুইজন কর্মকর্তা জনাব শাহজালাল এবং আসিফ আহাম্মেদ আমাদের অফিসের কর্মকর্তা।তাদের নিজ এলাকার ইউপি সদস্যরা যদি এরকমটা করেন তবে আমার করনীয় কি বলেন।তবে চেয়ারম্যান সাহেবের কোন ক্ষমতা বা এখতিয়ার নেই এই কার্ড ইস্যুকরনের।দিন দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এসব কারনে স্থানীয় রাজনৈতিক গ্রæপিংয়ের একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের চক্রান্ত শুরু করেছে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম