
বাগেরহাট সংবাদদাতা।। দুপুর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি আর দমকা হাওয়া জানান দিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। ১৯ মে, মঙ্গলবার উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট জুড়ে এ অবস্থা। কোথাও কোথাও বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো বাতাস বইছে যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঝুকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইছে। বাগেরহাটের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করেছে। সকাল থেকে রোদ থাকলেও হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে মানুষ দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করছে। মাঠের পাকা ধান ও বাড়ির উঠানে শুকানোর জন্য রাখা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে কৃষক পরিবারগুলো।
জেলার সর্বাপেক্ষা ঝুকিপূর্ণ উপজেলা রামপাল, শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলার ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। সতর্ক সংকেতে ভয়াবহ বার্তা পরিবেশন করায় উপকূলবাসীর মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। মাটি, ছন ও টিনের ঘরের বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তা সব থেকে বেশি।
অন্যদিকে কচুয়া উপজেলার রকি শেখ বলেন, ভোরে সূর্য দেখে ধান সিদ্ধ করেছিলাম। সাড়ে সাতটা নাগাদ রোদ ওঠায় সিদ্ধ ধান উঠানে রোদে দিয়েছিলাম। রোদের মধ্যেই দুপুরের দিকে বৃষ্টি শুরু হলো। তড়িঘড়ি করে সব ধান ঘরে ওঠাতে পারিনি। কিছু ধান ভিজে গেছে। এছাড়াও অনেক কৃষক শ্রমিক নিয়ে ধান কাটছিলেন মাঠে।
জেলার সর্বদক্ষিণের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান মিলন বলেন, দুপুর থেকেই আমাদের এখানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইছে। আমরা স্থানীয়দের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলেছি। ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের আমরা স্বেচ্ছাসেকদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়েছি। সতর্কতা মূলক মাইকিং চলছে।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে ১০ থেকে ১২ শতাংশ কৃষকের ধান মাঠে রয়েছে। গবাদিপশু নিয়ে চিন্তিত মোংলার রনজিৎ দাম। তিনি বলেন, সিডরে ৪টা গরুই মারা গেছিলো। এবারও ভয়ে আছি। ভগবানের যা ইচ্ছে!
করোনাভাইরাসের সঙ্কা নিয়েই একপ্রকার বাধ্য হয়ে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম