
গত ১৪জুন রাত থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়। বেড়ে যায় বাতাসের গতিবেগ, চলতে থাকে দুর্যোগপুর্ন আবহাওয়া। মোংলায় গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার দিনভর সূর্যের দেখা মেলেনি। থেমে থেমে বৃষ্টিতে এ এলাকার জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে। বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়ার কারনে দুর্ভোগে পড়ছে মোংলা বন্দর নগরীর খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষরা। উপকুলীয় এলাকায় ঝড়ো আবহাওয়ার মধ্যেই শুরু হয়েছে সাগরে লঘুচাপ। মৌসুমী বায়ুর তারতম্যের ফলে টানা দিন-রাত থেমে থেমে আবার কখনও মুষলধরে বৃষ্টিপাত। এটি আরো ৩/৪ দিন পর্যন্ত অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
বন্দর সুত্র ও হারবার মাষ্টার কমান্ডার ফকর উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, সাগরে মৌসুমী বায়ুচাপের সৃষ্টি হওয়ার ফলে বন্দরসহ এর আশপাশ এলাকায় প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। আমাদের বন্দরে ৩টি সারবাহী সহ ১৩টি বানিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করছে। এছাড়াও বন্দরে নতুন একটি বানিজ্যিক জাহাজ এসে ভিড়ছে এবং ৫টি জাহাজ বন্দর ছেড়ে গেছে। লাগামহীন বৃষ্টির কারনে এ বন্দরের পশুর চ্যানেলে ও হারবাড়িয়ায় অবস্থান করা সব জাহাজ থেকে পণ্য খালাস বোঝাই কাজ চরম ব্যাহত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ভারী বর্ষন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে, যার কারনে মোংলা বন্দরে কিংকার, কয়লা, সার, মেশিনারীজ, ফাইয়াস ও কন্টেইনারবাহী ১৩টি বানিজ্যিক জাহাজ পণ্য বোঝাই খালাস কাজের জন্য অবস্থান করলেও তাতে বৃষ্টিতে সারবাহী জাহাজের বেশ কিছু সময় বন্ধ রাখতে হয়েছে খালাস-বোঝাইয়ের কাজ।
বন্দর ব্যাবহারকারীরা জানায়, মোংলা সমুদ্র বন্দরে বিদেশী বানিজ্যিক জাহাজ থেকে পন্য খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। বৈরী আবহাওয়া আর ভারী বৃষ্টির কারনে জাহাজ থেকে পন্য খালাস করতে পারছেন না আমদানী কারকরা। জাহাজ থেকে মাল খালাসের জন্য শ্রমিক জাহাজে অবস্থান করছে। অলস বসে আছে বন্দরে বিদেশী জাহাজে খালাস-বোঝাইয়ের কাজে যাওয়া শ্রমিকরা।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম