আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। করোনা ভাইরাসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচার করা সাংবাদিকদের জন্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার তার বর্ণণা দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে একহাজার পাঁচশত সাংবাদিককে এককালীন দশ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদানের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করেছে।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে শহীদুজ্জামান সরকারের (নওগাঁ-২) তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। এর আগে বেলা ১১টা স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের মুলতবি বৈঠক শুরু হয়। পরে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, পরবর্তী পর্যায়ে আরও সাংবাদিককে এ অনুদান দেয়া হবে। এছাড়া, এই ট্রাস্টের মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহত সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের মাঝে তিন কোটি দশ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছর থেকে ১০ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে দেয়া হয়েছে। মহামারি করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য স্থাপিত গণমাধ্যম কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী যথা-হ্যান্ড ওয়াশ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, টিস্যু পেপার ইত্যাদি সরবরাহ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা যাতে অগ্রাধিকাভিত্তিতে করোনা টেস্ট করতে পারেন সেজন্যও নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সাংবাদিকরা যাতে অগ্রাধিকারভিক্তিতে চিকিৎসা সেবা পান সেজন্যও নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আনোয়ারুল আবেদীন খানের (ময়মনসিংহ-৯) প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে দেশে অনুমোদিত বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংখ্যা ৪৫টি। বর্তমানে ৩০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছে। নতুন লাইসেন্সের ব্যাপারে প্রয়োজনের নিরিখে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম