এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতাল, রিজেন্ট কেসি লিমিটেডের পরিচালক ইব্রাহিম খলিলের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, তিনদিনের রিমান্ড শেষে ডা. সাবরীনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আরো ২ দিনের রিমান্ড পেয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকা মূখ্য মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমানের আদালত ডা. সাবরীনার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ১৩ জুলাই আদালত তার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ১২ জুলাই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় জেকেজি গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনাকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করার পর গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সাবরীনার আগে তার স্বামী ও জেকেজির প্রধান নির্বাহী আরিফ চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে বোরকা পরিহিত অবস্থায় ছদ্মবেশে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে সাহেদকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় এনে তাকে নিয়ে অভিযান চালানো হয় উত্তরায় তার গোপন কার্যালয়ে। এসময় বেশকিছু জাল টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রতারণার মামলায় সাহেদ ও এমডি মাসুদ পারভেজকে ১০ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে সাহেদের সহযোগী তারেক শিবলীর দ্বিতীয় দফায় ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
এর আগে, গত ৬ই জুলাই নানা অভিযোগের ভিত্তিতে রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর অভিযোগের সত্যতা মেলায় রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এ সময় ৮ জনকে আটক করা হলেও চেয়ারম্যানসহ ৯ জন পলাতক ছিলেন।
পরে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রিজেন্টের এমডি মাসুদ পারভেজকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ পর্যন্ত সাহেদের বিরুদ্ধে ৬১টি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
