আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্কঃ স্বজনদের সাথে ঈদ উদযাপনে নাড়ীর টানে ঘরে ফিরছেন মানুষ। আজও (১০ আগস্ট) রাজধানীর রেলস্টেশনগুলোতে রয়েছে যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড়। তিনটি বিশেষ ট্রেনসহ মোট ৫৫টি ট্রেনে ৬০ হাজার যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার কথা রয়েছে আজ।
ধূমকেতু, সুন্দরবন, নীলসাগর, রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমণি ঈদ স্পেশাল ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা দেরিতে এবং পশ্চিমাঞ্চলগামী কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ায় ঘরে ফেরা মানুষ ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তিতে পড়ে।
ঈদ যাত্রার চতুর্থ দিনে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলো দেরিতে ছাড়ছে। এসব ট্রেনের কোনটি ৬, কোনোটি ৮ এবং কোনটি ১০ ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে যাচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তি আর সীমাহীন বিড়াম্বনায় পড়েছে ঘরমুখো মানুষ।
শনিবার (১০ আগস্ট) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে রাখা ডিসপ্লেতে দেয়া ট্রেনের সময়সূচি অনুযায়ী, রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনটি সাড়ে ৮ ঘণ্টা দেরিতে আনুমানিক বেলা ২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যাবার কথা। খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৬ ঘণ্টা দেরিতে আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১২টায় ছেড়ে যাবে।
চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ৮ ঘণ্টা দেরিতে আনুমানিক বিকেল ৪টায় এবং রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিলম্ব হবে উল্লেখ করা থাকলেও সম্ভব্য সময় জানানো হয়নি।
তবে রেলসূত্র জানায়, প্রায় ৮ ঘণ্টা দেরিতে আনুমানিক বিকেল ৫টায় ছেড়ে যেতে পারে রংপুর এক্সপ্রেস। তবে এ সময় পরিবর্তনও হতে পারে।
গত ১ আগস্ট যারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন তারাই আজ ট্রেনযোগে বাড়ি ফিরছেন। কিন্তু ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে এসব যাত্রীরা সীমাহীন বিড়াম্বনায় পড়েছেন।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বলেন, শুক্রবার টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তে ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ কারণে দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় সব ট্রেনের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। যে কারণে ট্রেনের শিডিউল ঠিক নেই।
