মোঃ আসাদুর রহমান বেনাপোল প্রতিনিধি : এক যুগের বেশি সময় একই জায়গায় বেনাপোল পৌরসভার সচিব রফিকুল ইসলাম । তার বিরুদ্ধে একেক সময় একেক রকমের কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে থাকেন তিনি। আবারও নানা অনিয়ম ও দূরনীতি স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ আছে ।
দীর্ঘ ৯ বছর ধরে একই জায়গায় কর্মরত থাকা এই আলোচিত সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম যশোর জেলার প্রথম শ্রেণির বেনাপোল পৌরসভায় বিরাজ করছে অচলাবস্থা। বেনাপোল পৌরসভার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ২০১০ সাল থেকে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে বেনাপোল পৌরসভায় কর্মরত সচিব রফিকুল ইসলাম । কথিত আছে পৌর পিতা যেনিই হন তিনিই জিম্মি করতে গেলে হয়ে পড়েন তার কাছে।
মেয়র যেখানে জিম্মি সেখানে কাউন্সিলরদেরও করার কিছু থাকে না। পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেন-অবৈধভাবে টেন্ডার বাণিজ্য করে আসছেন
এছাড়া পৌরশহরের একটা শহীদ মিনার তৈরি করে বিশাল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি । তার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলে উল্টো হুমকি দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। অবশেষে তার এসবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ।
পৌরসভার সচিবের চাকরি করে মোঃ রফিকুল ইসলাম হাজার কোটি টাকা সম্পদের মালিক।তা ছাড়া রফিকুল ইসলাম এর ঢাকায় ১১তলা একটি বাড়ি ও ২ বিলাস বহুল গাড়ি আছে যার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা । পৌরসভার সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম তার ঢাকা যাওয়া আসা করতে বিমান খরচ দুই লাখ টাকা ।
এছাড়া তার সম্পদের পরিমাণ এত বেশি যে একজায়গায় করলে তার পরিমাণ হাজার কোটি টাকার উপরে । চাকরি করার সুবাদে এ পৌরসভায় নিকট আত্মীয়দেরও কৌশলে চাকরি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন পৌরসভার এক কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ওই সচিব পৌরসভায় যোগদানের পর থেকে পৌরসভার হাট-বাজার, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও উন্নয়ন কাজের টেন্ডারগুলো যেসব পত্রিকা বাজারে আসে না, পত্রিকা অফিস থেকে বিজ্ঞাপন দাতার অফিস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ সেসব পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অন্তরালে টেন্ডার বাণিজ্যে মেতে উঠে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারি জানান, পৌর সচিবের অনিয়ম ও দুর্নীতির ভার কেউ নেবে না। সবাই রেগে আছে, ক্ষোভে আছে। কিন্তু প্রকাশ করতে পারছেন না। বর্তমানে পৌরসভার অচলাবস্থা বিরাজ করছে বলেও জানান তারা।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম