প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ৫:৪০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পাংশায় চলমান কাজ ৯ মাস বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সৈয়দ মেহেদী হাসান রাজবাড়ী।। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় চলমান রাস্তার কাজ দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার কারণে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। রাজবাড়ী জেলার পাঁচটি উপজেলার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা পাংশা। কিন্তু এই উপজেলার ২১৬ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৯০ কিলোমিটার সড়কই চলাচলের জন্য অনুপোযোগী। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঐ এলাকার সাধারন জনগন।
কিন্তু পাংশা উপজেলায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের কার্যাদেশ পাওয়ার পর পাংশা উপজেলার পাঁচটি সড়কের ১৮ কিলোমিটার কাজ উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল এই বছরের জুন মাসে শেষ হবার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় ঠিকাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়।
আর এর মধ্যেই রয়েছে উপজেলার এক নাম্বারে থাকা পাংশা সেনগ্রাম সড়ক শুধু তাই নয় এই সড়কটি পাংশা এবং পাবনা জেলার সাথে যোগাযোগের অন্যতম একটি সড়ক। এই পাংশা সেনগ্রাম সড়কটির কাজও একই সময়ে শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মর্ডান কনস্ট্রাকশন। পরবর্তীতে ঠিকাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে এই বছরের ১৫ ই নভেম্বর পর্যন্ত সময় সীমা নির্ধারণ করা হলেও সড়কের কাজ বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ২০%। দীর্ঘ নয় মাস সড়কটির কার্পেটিং তুলে খনন করে ফেলে রাখায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।
প্রতিদিন বিকল হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন ফলে সড়কটি চলমান উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি এলাকাবাসীর।এবং এই সড়কটির কাজ বন্ধ রাখায় কয়েকবার মানববন্ধনও করেছে এলাকাবাসী।
পাংশা সেনগ্রাম সড়কের উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মর্ডান কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি বলেনঃ অতিবৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় লোকবল এবং যন্ত্রপাতি স্বল্পতার কারণে এবং রোলার নষ্ট হবার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। এবং তিনি ইঞ্জিনিয়ার কে দোষারোপ করে বলেন আমার বিন্দুমাত্র কোনো গাফিলতি নেই। অফিশিয়াল জটিলতা এস্টিমেট ভুল ও নষ্ট রোলার দেওয়ার কারণেই কাজ বন্ধ রয়েছে।
পাংশা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা প্রতিটি ঠিকাদার কে এই বছরের জানুয়ারি মাসে সাইট বুঝিয়ে দেই কিন্তু ঠিকাদারের অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে ধীর গতিতে কাজ শুরু করে এই বিষয়ে বারবার তাদেরকে কয়েকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে ওই সময়ে কিন্তু সে কোনভাবেই কর্ণপাত করেনি। আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। টিকাদারের হাতে আর ৩০ দিন সময় আছে এরমধ্যে তার কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না।
পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হাসান ওদুদ বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের কাজ এখনো শেষ হয়নি।আমরা দেখেছি আজ নয় মাস যাবত রাস্তা খনন করে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। কি কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে তা উপজেলা প্রকৌশলী ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বলতে পারবে। এই চলমান কাজ বন্ধ থাকাতে সাধারণ মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আশা করি অতি তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করবে উপজেলা প্রকৌশলী ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম