প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৬:১৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ১৪, ২০২০, ৭:০১ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে শিশু অপরাধের দায়ে ১৪ জনকে সংশোধনের জন্য আদালতে ব্যতিক্রমী রায়

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।। সুনামগঞ্জে শিশু অপরাধের দায়ে ১৪ জনকে সংশোধনের জন্য আদালতে ব্যতিক্রমী রায়। সুনামগঞ্জে এক সাথে ১০টি শিশু অপরাধের মামলার রায় দিয়েছেন নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও শিশু আদালত।
বুধবার দুপুুরে এ রায় প্রদান করেন নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও শিশু আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন। ১০ টি মামলায় শিশু অপরাধী ১৪ জনকে সংশোধনের জন্য বন্ডের মাধ্যমে তাদের অভিবাবকের জিম্মায় দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও শিশু আদালতের সরকারি কৌশলী অ্যাডভোটক নান্টু রায়।
আদালত সুত্রে জানা যায়, আহমেদ সালেহ তায়্যিবকে পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র পাস করে টাকা গ্রহণের অপরাদে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। আবু সাইদ, মিজানুর রহমান , রাব্বুল মিয়া, জুনায়েদ আলমকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিকটিমের ছবির সাথে ছবি সংযুক্ত করে ফেইসবুকে ছাড়া ও মানহানির অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে পুলিশকে গ্রেফতারি পরেরোয়ানা তামিলে বাধা প্রদান ও আসামী পলায়নে সহায়তা করায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। রুহুল আমিনেকে শ্লীলতাহানির অপরাধে অভিযুক্ত করে মামলা হয়। আলী আকবর, মো.মন্তাজ আলী, দলবদ্ধ ভাবে লাঠি দিয় মারপিঠ করে সাধরণ জখম করার অপরাধে মামলা হয়।
মো.তারেক বিরুদ্ধে মাদক রাখার অপরাধে মামলা হয়। আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে লাঠি দিয়ে মারপিঠ করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। রতন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মাদক রাখার অভিযোগে মামলা হয়। ফয়জুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অপরাধে মামলা হয়।
দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দলবদ্ধ ভাবে লাঠি দিয় মারপিঠ করে সাধরণ জখম সহ হত্যার হুমকি প্রদানের অপরাধে মামলা হয়। ১০ মামলার ১৪ শিশুদেরকে ৮টি শর্ত মেনে চলতে হবে। আর এই সকল কর্মকান্ড তদারকি করবেন সমাজ সেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান।
তিনি জানান, তাদের বন্ডের মাধ্যমে আদালত কতৃক প্রবেশনে থাকাকালিন যে শর্ত গুলো মেনে চলাফেরা করতে হবে। তারা বাবা মায়ের আদেশ নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বাবা মায়ের সেবা করা। প্রতিদিন যার যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা। নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা।
প্রত্যেকে কম পক্ষে ২০টি গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করতে হবে। অৎস সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে । মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতে কোনও অপরাধারে সাথে নিজেকে না জড়ানো। এই সকল শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মো.শফিউর রহমানের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পুনরায় আটক করে টঙ্গি কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/শিরিন
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম