নিজস্ব প্রতিবেদক।। বাংলাদেশ পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সামাজিক, মানবিক ও উৎসাহমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে মানবিক পুলিশ সুপার জনাব, মোঃ জাহিদুল ইসলাম সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একের পর এক গণমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।
চুয়াডাঙ্গার রিজিয়া বেগম। বয়স ৬০ বছর পেরিয়েছে। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত তিনি। স্বামীকে হারিয়েছেন অনেক আগেই। নেই বৃদ্ধ বয়সে দেখাশোনার মতন কোন সন্তান। তাই অসহায় কষ্ট জর্জরিত অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়ালে তিনি এগিয়ে আসে।
বুধবার দুপুরে (৯ ডিসেম্বর) চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ সহযোগিতায় এগিয়ে আসে।
প্রতিদিন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ব্যক্তিগত বা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হাজির হন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার,বিভিন্ন বয়সী মানুষ। তাদেরই একজন এই রিজিয়া বেগম, তিনি কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে আসেননি। তিনি দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে একটুখানি আশা নিয়ে মানবতার বন্ধু চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর কাছে কাছে। পুলিশের মানবিকতাই তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত টেনে এসেছে। তার চাহিদা খুবই কম প্রয়োজন একটি শাড়ীর। কিন্তু এই সল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা।
অশ্রসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিক তার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। রিজিয়া বেগম তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু”চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিকভাবে একটি শাড়ী এবং ঔষধ কেনার জন্য নগদ টাকা তাহাকে দিলেন। এসময় তিনি আরো বলেন সমাজের সর্বস্তরের সামর্থবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। চুয়াডাঙ্গা বাসী যে কোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের সহযোগিতা ২৪ ঘন্টা খোলা আছে। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/সিয়াম
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম