পরে ৫-৬টি কাগজে তার সাক্ষর নিয়ে তাকে জানিয়ে দেন তার চাকরি নেই। অতঃপর তাকে ৮,২৪২টাকা প্রদান করে বলেন তাকে চলে যেতে। নারী শ্রমিক আফরোজা আক্তার তাকে চাকরিচ্যুত করার কারন ও বাকি বেতনের টাকা তাকে কেন দেয়া হবে না জানতে চাইলে কারখানার সিনিয়র এইচআর এডমিনসহ তার সহকারি আবুল কালাম ও কতিপয় নিরাপত্তাকর্মী উক্ত নারী শ্রমিকের সাথে অসদাচরণ করেন এবং তাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করেন। পরে আফরোজা আক্তার নিজের নিরাপত্তার জন্য আশুলিয়া থানায় হাজির হয়ে একটি
সাধারন ডায়রী করেন (জিডি নং-৩৪০)।জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী শ্রমিক আফরোজা আক্তারের স্বামী কাজী রফিকুল ইসলাম গত কয়েক মাস আগেও উক্ত পোষাক কারখানায় এডমিন অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। হঠাৎ অদৃশ্য কোন এক কারনে তাকেও নোটিশ করে পাওনাদি না দিয়ে কারখানা থেকে বের করে দেয়া হয়। নারী শ্রমিক আফরোজা আক্তারের স্বামী ও কারখানার সাবেক এডমিন অফিসার কাজী রফিকুল ইসলাম জানান, কারখানার শুরু থেকে আমি এ প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছিলাম। প্রায় বছর খানেক আগে কারখানাটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে কিছু কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।
যারা প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগের জন্য আসা শ্রমিকদের ইন্টারভিউ নিতেন। তবে, বিভিন্ন সময় চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে আসা নারী শ্রমিকদের সাথে তাদের আচরণ ছিলো অশোভনীয়। বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত, বাজে মন্তব্যসহ কু-প্রস্তাবও দিতেন কারখানার কতিপয় কর্মকর্তা। বিভিন্ন শ্রমিকদের কাছ থেকে অভিযোগ ও বিষয়টি আমার চাক্ষুশ নজরে আসার পর আমি আমার এমডি মহোদয়কে জানাই।
তিনি বললেন, ইতিপূর্বে এ ঘটনাগুলো শুনেছেন এবং এ বিষয়টি তিনি দেখবেন। এ ঘটনার কিছুদিন পর অপ্রাসঙ্গিক একটি নোটিশ করে কোন প্রকার পাওনাদি না দিয়ে আমাকে কারখানা থেকে বের করে দেয়া হয়।তবে এ ব্যাপারে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল জানান, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এডমিন অফিসার কাজী রফিকুল ইসলাম একজন দুষ্টু প্রকৃতির লোক।
হঠাৎ করেই সে আমার কারখানা থেকে চাকরি ছেড়ে দেন এবং পরে আমার নামে লেবার কোর্টে মামলাও করেন। সেই মামলায় আমার ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে। আমার নামে এমন একশত মামলা এবং একশত ওয়ারেন্ট আছে। এগুলো আমার কাছে দুই মিনিটের ব্যাপার। কি কারনে তার এবং তার স্ত্রীর চাকরি গেছে তা আমার জানা নেই। আমি তাদের চিনি না।
মোঃ শহিদুল ইসলাম (সাগর) :আশুলিয়ার কবিরপুরে ত্বোয়া-হা টেক্সটাইল পোষাক কারখানায় এক নারী শ্রমিককে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কারখানা থেকে ছাটাইসহ অসদাচরণ ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কারখানার কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত আফরোজা আক্তার নামের ঐ শ্রমিক কাজে যোগদান কালে কারখানার সিনিয়র এইচআর এডমিন অফিসার তরিকুল ইসলাম বেতন দেয়ার কথা বলে কৌশলে তার কাছ থেকে আইডি কার্ডটি হাতিয়ে নেন।