মনির হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি।। আশুলিয়ায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও স্থানীয় যুবলীগ কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ভাঙচুর করা হয়েছে বেশ কিছু মোটরসাইকেল।
২ মার্চ মঙ্গলবার সকালে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় এই সংঘর্ষ হয় বলে জানান আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম।
তিনি জানান, ঝুট ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সাদেক ভূঁইয়ার মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জেরে সকালে তাদের কর্মী- সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। সংঘর্ষে গোলাগুলির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য সাদক ভূইয়ার সঙ্গে যোগা যোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে,থানা যুবলীগের আহ্ববায়ক কবির সরকার বলেন, ইপিজেডের একটি তৈরি পোষাক কারখানায় আমার বৈধ ব্যবসা। কিছুদিন যাবত ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সাদেক ভূইয়া আমার এই ব্যবসায় নেয়ার জন্য পায়তারা করতেছে গতকাল আমি এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগও করেছি।
আজ তারা অতর্কিত ভাবে পিস্তল দিয়ে গুলি করে ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। চারজনকে রাম‘দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করছে। তারা নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি আছে।
সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলে একটি বাড়ির বাইরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পায় পুলিশ। তাতে দেখা যায়, কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ঐ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে একটি দল। ভাঙচুর করা হয় মোটরসাইকেল।
ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে দেখা যায় কয়েকজনকে। ঐ ফুটেজে ঘটনাস্থলে সাদেক মেম্বারকে দেখা যায় মোবাইল ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলতে। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ।
এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আলম হোসেন বলেন,মসজিদের মাইকে মেম্বার বাড়িতে ডাকাত পড়ছে শুইনা আমি আসছি। আইসা দেখি অনেকগুলা মোটরসাইকেল ভাঙা পইরা রইছে। তবে কারা ভাঙছে আমি দেখি নাই। এলাকার লোকজন মাইকে ডাকাত পরার কথা শুইনা আসলেও কেউ মারামারি করে নাই।
এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রিয়াজ বলেন,সকালে মাইকে ডাকাত পড়েছে এই ঘোষণা শুনে আমার ঘুম ভাঙে। তখন ছুটে বাসার সামনে রাস্তায় গিয়ে দেখি অনেকগুলো মোটরসাইকেল ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। হাজী আমির উদ্দিন প্লাজার দোখানদার দিশা চাকমা বলেন,সকালে দোখান খোলার পরই হঠাৎ মারামারি শুরু হয়। পরে আতঙ্কে দোখান বন্ধ করে বাসায় চলে যাই।সংঘর্ষ শুরুর কিছুক্ষণ পর পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় ও ভাঙচুর করা মোটরসাইকেল গুলো পিকআপ ভ্যানে করে থানায় নিয়ে যায়।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/সিয়াম
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম