
আমাদেরবাংলাদেশ ডেক্স : ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকেই এই জেলার নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান, আইনি সহযোগিতা প্রদান ও মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন সরদার বিপিএম (সেবা) পিপিএম। তার নির্দেশে এরই মধ্যে ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাতটি থানায় এবং থানা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাটিয়ে দেয়া হয়েছে ‘থানায় জিডি বা মামলা করতে কোন অর্থের প্রয়োজন হয় না,
কেউ দাবী করলে নিচের নম্বরে ফোন করুন, এবং,মাদককে না বলুন,আপনার সামনে কোন প্রকার মাদক বেচা-কেনা হলে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নিকট ফোন করুন’। আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়- বাসস্ট্যান্ড, হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা সহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে ‘মাদককে না বলুন’ সম্বলিত ডিজিটাল ব্যানার ও পোষ্টারে ছেয়ে গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিতে জনগণকে সচেতন করছেন।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিতি এবং‘থানায় জিডি বা মামলা করতে কোন অর্থের প্রয়োজন হয় না’ এমন মহৎ উদ্যোগকে ইতিমধ্যে আশুলিয়াবাসী স্বাগত জানিয়েছেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে ব্যপক সাড়া ফেলেছে আশুলিয়ার জনগণের মাঝে। ইতিমধ্যে সাধারণ জনগণ পুলিশকে বন্ধু ভাবার পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
থানায় আগত জয়নাল আবেদীন, আব্দুল লতিফ,জামাল হোসেন, মামুন হোসেন, খাদিজা বেগম সহ একাধিক সেবা গ্রহীতার সাথে কথা বলে জানা যায়, জিডি কিংবা মামলা করতে তাদের থেকে কোন অর্থ নেয়নি পুলিশ। খুব সহজেই তারা সেবা নিতে পারছেন। থানায় এসে অফিসার ইনচার্জ, ডিউটি অফিসারদের নিকট তাদের সমস্যার কথা সহজেই জানাতে পারছেন।
থানায় সেবা নিতে আসা চামেলি বেগম নামের এক নারী জানান, তার স্বামীকে এলাকার কতিপয় সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। প্রথমত বিচারের আশায় তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, তবে কোন বিচার পাননি তিনি। পরবর্তীতে আজ (বৃহস্পতিবার) থানায় তার স্বামীকে নিয়ে এসে সরাসরি ওসি সাহেবকে ডকুমেন্টস সহ বলতেই তিনি বিনা টাকায় মামলা নিলেন এবং পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থাও নিলেন। এ কথা গুলো বলতে বলতেই ওই নারী আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।
এদিকে জিডি করতে আসা একাধিক ব্যাক্তি এই প্রতিবেদক কে জানান, জিডি বা মামলা করতে টাকা লাগেনা পুলিশ সুপারের এমন উদ্যোগ কে আমরা স্বাগত জানাই। এর মধ্যদিয়ে পুলিশ সুপার এবং ওসি সাহেব তাদের সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের দিক নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা পুলিশ প্রতি নিয়ত অভিযান চালিয়ে মাদকের বেশ কয়েকটি বড় চালান জব্দ করেছেন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনেছেন।
জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার স্যারের সুদক্ষ দিক নির্দেশনায় আশুলিয়া অঞ্চল থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে আশুলিয়া থানা পুলিশ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে এসপি স্যারের ‘মাদক কে না বলুন’ উদ্যোগকে স্বাদরে গ্রহণ করেছে আশুলিয়াবাসী। মাদকের শেকর উপ্রে ফেলতে এসপি স্যারের নির্দেশে আমাদের যা যা করনীয় তাই করবো।
এই প্রতিবেদককে তিনি আরও বলেন,আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে একটি ম্যাসেজ জানিয়ে দিতে চাই- আশুলিয়া থানা তথা ঢাকা জেলার কোন থানায় জিডি বা মামলা করতে কোন টাকার প্রয়োজন নেই। আর,আপনাদের আশপাশে কোন মাদক ব্যবসায়ী থাকলে তার সম্পর্কে তথ্য দিন,তথ্য দাতার নাম গোপন রাখা হবে,বলেও জানান তিনি।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম