প্রিন্ট এর তারিখ: July 30, 2026, 12:34 pm || প্রকাশের তারিখ: April 26, 2021, 8:42 pm
ঢাকা।। কুয়েতে দণ্ডিত বাংলাদেশের সাবেক এমপি কাজী শহিদ ইসলাম ওরফে পাপুলের কারাদণ্ড চার বছর থেকে বেড়ে সাত বছর হয়েছে। এছাড়া তাকে ২০ লাখ কুয়েতি দিনারের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার কুয়েতের একটি আপিল আদালত তার কারাদণ্ডাদেশ তিন বছর বাড়িয়েছেন।
দেশটির পাবলিক প্রসিকিউটরের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতে শহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন এবং মানব ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুটি মামলা হয়। এর মধ্যে ঘুষ লেনদেনে আগেই তার চার বছরের কারাদণ্ডাদেশ হয়। একই মামলায় এবার মানবপাচারের দায়ে আদালত আরো তিন বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ কুয়েতি দিনারের অর্থদণ্ড দিলেন।
তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলাটি এখনো বিচারাধীন।
গত বছরের জুনে কুয়েতের আদালতের আদেশে শহিদ ইসলাম পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েতের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট। সে সময় তার বিরুদ্ধে অবৈধ ভিসার ব্যবসা ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ আনে সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থা। আদালতে দেয়া প্রতিবেদনে তারা জানায়, পাপুল ও কুয়েতের একটি চক্র ২০ হাজার বাংলাদেশিকে কুয়েতে পাচার করে এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।
ছয় মাসের শুনানির পর শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার বছরের জেল ও ৫৩ কোটি টাকা জরিমানা করে দেশটির আদালত।
দণ্ডিত হওয়ায় পাপুলের আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছে জাতীয় সংসদ। লক্ষ্মীপুরের ওই আসনে এখন উপ-নির্বাচন হবে। বাংলাদেশের কোনো আইনপ্রণেতার এভাবে বিদেশে দণ্ডিত হওয়ার এবং সাজার কারণে পদ বাতিলেরও এটাই প্রথম ঘটনা।