মোঃ আসাদুর রহমান বেনাপোল প্রতিনিধি ঃ চলতি বছরে বন্যায় ভারতের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় চলতি মৌসুমি পেঁয়াজ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই এ বছর ভারতের বাজারেও পেঁয়াজের মূল্য বেশ চড়া। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সরকার রান্নার জন্য অতি প্রয়োজনীয় এ উপাদানটির রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষনা আসার সাথে সাথে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম এক লাফে চড়া হয়ে উঠছে । এক দিনের ব্যবধানে ভারতীয় পেঁয়াজের মুল্য কেজিতে বেড়েছে কেজি প্রতি ৩০ টাকা সেক্ষেত্রে মুল্য বৃদ্ধি হয়ে কেজি প্রতি দাঁড়িয়েছে ১শ টাকায় এবং দেশী পেঁয়াজ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১শ কুড়ি টাকা । অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধিতে পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ী সহ ক্রেতা সাধারণ।
ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আমদানি করে বাংলাদেশ। ভারতের রফতানি বন্ধের ঘোষণায় নতুন উৎসের খোঁজে আমদানিকারকরা। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ঢাকার বাজারে আসতে শুরু করেছে। মিসর ও তুরস্ক থেকেও আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।এদিকে দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা হিসেবে ৫০০ টন ইলিশের প্রথম চালান ভারতে যাওয়ার কথা সেটি কতৃপক্ষের কোন কারনে বন্ধ হয়ে আছে ।
সাধারণ ক্রেতারা জানান, পেঁয়াজ মসলা জাতীয় পণ্যের ভিতরে সব থেকে উপকারী ও প্রয়োজনীয় পণ্য। মাত্র একটা দিনের ব্যবধানে এমন আকাশ ছোয়া দামের কারনে এই পণ্যটি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, যেমন কিনছি তেমন দামেই বিক্রি করছি এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। আমাদের নিজেদের ও বাড়িতে রান্নার কাজে ক্রয় করতে কষ্ট হচ্ছে। যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারের বিশিষ্ট আড়ৎ ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জানান,
হঠাৎই ভারত সরকার পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দেওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে। মোকাম থেকে আমাদের পেঁয়াজ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তাছাড়া হোলসেলাররা পেঁয়াজ মজুদ করায় পেঁয়াজের কিছুটা কম হয়ে গেছে বাজারে এমতাবস্থায় ভারত সরকার পেঁয়াজ আমদানি শুরু না করলে পেঁয়াজের মুল্য সহজে কমবেনা বলে মনে করছি।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম