আসাদুর রহমান শার্শা প্রতিনিধি।। নাভারণ এলাকার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে শুল্ক ছাড়াই চলছে একাধিক কোম্পানির রমরমা বিড়ির ব্যবসা। ফুলে ফেঁপে উঠছে একটি অসাধু ব্যবসা চক্র। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
বৃহস্পতিবার বিকালে সরেজমিনে ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা, বাউশা ও নন্দিডুমুরিয়া গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় অর্ধশত বাড়িতে ছোট ছোট বিড়ির কারখানা বানিয়ে রুপালী ও মনির নামক বিড়ি তৈরীর কারখানা রয়েছে। সরকারি কোন ব্যান্ডরোল বা শুল্করোল ব্যবহার না করেই তাদের নিজস্ব ব্যান্ডরোল তৈরী করে বিড়ির প্যাকেটের গায়ে লাগিয়ে বাজারজাত করছে।
স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে কোম্পানিগুলো দেদারছে বিড়ির রমরমা অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায়। এতে কোম্পানিগুলো আর্থিকভাবে দিনে দিনে ফুলে-ফেপে উঠছৈ, আর মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। পাঁচপোতা গ্রামের বিড়ি শ্রমিক আমেনা খাতুন, সিরাজুল ইসলাম, বিপুল, হারুন-অর রশিদ জানান, মনিরামপুর উপজেলার ঘিবা গ্রামের জাকির হোসেন রুপালী বিড়ির কোম্পানী মালিক সেজে পাঁচপোতা, বাউশা ও নন্দিডুমুরিয়া গ্রামের বিড়ি শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে বিড়ি তৈরীর উপকরণ ও নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহ করেন।
পরের দিন ভোর বেলা ৪/৫ টি মোটর সাইকেলে করে তৈরী বিড়িগুলো বস্তায় ভরে মনিরাপুরে নিয়ে যায়। রুপালী বিড়ির প্যাকেটের গায়ে ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন নং ০০১৯৫৯৪০৩-০৯০১ লেখা আছে। গ্রামের অশিক্ষিত, অসহায় মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে জাকিরের মত ধুরন্ধর লোকেরা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাচ্ছে।
এদিকে নাভারণ এলাকার খরুষা, নির্বাসখোলা, রাজাডুমরিয়া, কুল্লা, শিওরদাহ, বাইশা বাজার ঘুরে দেখা যায় ছোট ছোট মুদি ও চায়ের দোকানগুলোতে রুপালী ও মনির নামক বিড়ি বিক্রি হচ্ছে এবং বিড়ির প্যাকেটের গায়ে যে ব্যান্ডরোল লাগানো আছে তা আসল নয়। রুপালী বিড়ি কোস্পানীর মালিক জাকির হোসেনের মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/সিয়াম
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম