নিজস্ব প্রতিবেদক।। পাবনা জেলার ফরিদপুর থানায় মাছ আর পশুপালন করে যাদের আসে মূল আয়। মাছের যে জল চড়া তারই এক জের ধরে এবং আমাদেরবাংলাদেশ ডট কম এর এক প্রতিনিধি দল গিয়েছিল তথ্য অনুসন্ধানে।
গত রবিরার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে ফরিদপুর বাজারের পাশে বেড়ি বাঁধের উপরে জলচর কে কেন্দ্র করে জুমিন গ্রুপের দুই সদস্য সুরুজ মোল্লা আর আলামিন মারধরের শিকার হন।
উক্ত জমিন মেম্বার এর মুঠোফোন কথা বলার সময় বারবার এমপি,র নাম উচ্চারণ করে। এসময় তিনি আরোও জানান ৭ তারিখ রাত্রে ওই এলাকার সুইচগেটের পাশে গোলাগুলি হয়,গুলি শব্দ শুনে তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানার ওসি-কে ফোন করেন,ওসি বিষয়টি শোনার পর পরই থানা থেকে এসআই নুর আলমসহ পাঁচ থেকে ছয় জন কনস্টেবল ঘটনাস্থানে পাঠিয়ে দেন।
ফরিদপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলার পর,সুরুজ মোল্লার সাথেও মুঠোফোনে কথা বলা হয়।
উক্ত বিষয়ে ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এসব গুজব বলে উড়িয়ে দেন এসময় তিনি আরোও বলেন,এই সব ছোটখাটো বিষয়ে নিয়ে আপনারা এত ব্যস্ত কেন।
কে এই জমিন পরামানিক..? তিনি হচ্ছে ফরিদপুর সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার,এই মেম্বার সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান তার অনুসারী সুরুজ মোল্লা এবং আলামিন প্রতিপক্ষের কাছে মার খেয়েছে সরুজ মোল্লা হাসপাতালে যাওয়ার পর তার কাছ থেকে তিনটি পিস্তলের/ রাইফেলের গুলি পাওয়া গেছে এবং উপজেলা চেয়ারম্যানও একই কথা জানান।
গুলি গুলো পলিথিনের ভিতরে ছিল যা আমার উপস্থিতিতে এসআই নুর আলম নিয়ে যান এবং তিনি আরোও বলেন সেখানে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিল। তাহলে ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেন এই বিষয় লুকাতে চাচ্ছে,আসলে এর পিছনে রহস্য কি.? কারা আছে.? এর পিছনে.? সবই ধোঁয়াশা।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/ সিয়াম রশিদ
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম