নিজস্ব প্রতিবেদক সাভার।। আশুলিয়া থানার খেজুরটেক এলাকায় গরুর খামারে মালিক ইঞ্জিনিয়ার ওমর ফারুক-কে মারধরের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আশুলিয়া থানায় মারধরকারী ১ মো: রিপন (৩৬) পিতা-এবানুল্লাহ মাদবর, ২। মোঃ বাবলু (৫০) পিতা-অজ্ঞাত, ৩। মোঃ রকি (২২) পিতা- মোঃ মজিবর, ৪। মোঃ করিম (২২) পিতা-মোঃ হামজা,সর্ব সাং-খেজুরটেক, থানা- আশুলিয়া জেলা-ঢাকাগন সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ বিবাদীগদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগপত্র গ্রহণ করে,আশুলিয়া থানার ইন্সপেক্টর (ইন্টিলিজেন্স),জনাব মোঃ মিজানুর রহমান।
[caption id="attachment_59445" align="alignnone" width="387"]
অভিযোগের কপি[/caption]
উক্ত বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার ওমর ফারুক-এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমার অনুপস্থিতিতে জায়গা ও খামার দেখা শুনা করে উজ্জল নামের একটি ছেলে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে খামারের জায়গায় ঘাসে ছাগর বেঁধে ঘাস খাওয়াতে থাকে রিপন নামের এক ব্যক্তি সে সময় উজ্জল কথা বলতে গেলে রিপন উজ্জল-কে মারতে আসে তখন উজ্জল আমার কাছে ফোন করে বলে,আমি তখন সঙ্গে সঙ্গে খামারে ছুটে যায়। যেয়ে দেখি ২নং বিবাদী মোঃ বাবলু ওখানে আছে আমি ঘটনার বিষায় জানতে চাইলেই তর্কবিতর্ক করে বাবলু আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমি গালিগালজ করিতে নিষেধ করলে ১নং বিবাদী আমাকে এলোপাধারী ভাবে কিল,ঘুষি মারে এবং আমার দাড়ি ধরে টেনে ছিড়ে দেয়।
এসময় তিনি আরো বলেন,গত ১৭ তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যা অনুমান ৬টা ৩০মিনিটের সময় বিবাদীগন আমার খামারের গরু জোর পূর্বক নিয়া যাইতে চায়। তখন আমি বাঁধা দিলে বিবাদীরা আমাকে পুনরায় আঘাত করে। তখন আমার ডাকচিৎকারে আশে পাশের লোকজন আগাইয়া আসলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়। এছাড়া ১নং বিবাদী আমাকে প্রান নাশের হুমকিসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখায় এবং বলে আমার খামারের গরু লুট করে নিয়া যাবে বলেও হুমকি দেয়।
আমি আহত অবস্থায় পড়ে থাকি তখন আমার স্ত্রী আমাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় সেখানে কর্মরত চিকিৎসকরা আমাকে চিকিৎসা করেন পরে আমি সুস্থ হয়ে বাসায় এসে বিষয়টি আমার নিকট আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করি।
আমাদেরবাংলাদেশ ডটকম/রাজু
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম